রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের আলামত দিতে অস্বীকৃতি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের


Published: 2020-08-12 00:55:53 BdST, Updated: 2020-09-28 15:56:06 BdST

আইটি লাইভ: মিয়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যার তথ্য প্রমাণের জন্য সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক কোনোভাবেই সহযোগিতা করছে না। জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কর্তৃপক্ষের প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান এমন অভিযোগ করেছেন।

মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নির্যাতনের আলামত হাজিরের প্রতিশ্রুতি দিয়েও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তা পালন করছে না। মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষের নিকট কি ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছিল, সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি নিকোলাস। গণহত্যা চালানোর দিনগুলোতে মিয়ানমারের কর্মকর্তারা কবে, কীভাবে, কার সাথে যোগাযোগ করেছেন, সে বিষয়ে ফেসবুকের কাছ থেকে তথ্য চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের শরণাপন্ন হয় গাম্বিয়া।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলো ডিলিট করে দিয়েছে। তবে ওইসব অ্যাকাউন্টের ডাটাগুলো সংরক্ষিত। যদিও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা গণহত্যার তথ্য গাম্বিয়াকে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

আদালতে ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, গাম্বিয়ার অনুরোধ রাখলে সেটা মার্কিন আইনের পরিপন্থী হবে। আইন অনুযায়ী ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এভাবে কোনও ব্যবহারকারীর তথ্য দেয়া যায় না বলে দাবি করে প্রতিষ্ঠানটি।

নিকোলাস কুমজিয়ান অভিযোগ বলেন, ফেসবুকের কাছে মিয়ানমারে গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আলামত আছে। যদিও এ বিষয়ে এতো আলোচনার পরও তারা কোনও তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে হত্যা, গুম, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। জীবন বাঁচাতে নতুন করে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

 

ঢাকা, ১২ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।