বঙ্গবন্ধুর খুনি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত মাজেদ কেন্দ্রীয় কারাগারে


Published: 2020-04-07 12:16:24 BdST, Updated: 2020-06-06 13:09:36 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াৎ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর বেলা ১টা ৫ মিনিটের দিকে তাকে প্রিজন ভ্যানে করে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা

আবেদনে বলা হয়, আসামি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। সে দীর্ঘদিন পলাতক ছিল। এই মামলায় তাকে গ্রেফতার না দেখানো পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করছি।

এর আগে মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুর অন্যতম খুনি ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুস মাজেদকে রাজধানীর মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার দিনগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণায় জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) মিরপুর সাড়ে এগারো এলাকা থেকে সোমবার ভোর রাতে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে (অব.) গ্রেফতার করে। ইতোমধ্যেই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আবদুল মাজেদ

 

এদিকে ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫ খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তারা হলেন- লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, মেজর বজলুল হুদা, লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহম্মেদ (আর্টিলারি) ও লে. কর্নেল একেএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (ল্যান্সার)। এছাড়ার বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে হত্যা মামলায় ১২ জন মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে ৫ জন বিদেশে পালিয়ে রয়েছে। পলাতকরা হলেন, কর্নেল খন্দকার আব্দুর রশিদ, লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল এএম রাশেদ চৌধুরী, রিসালদার মোসলেম উদ্দিন, লে. কর্নেল এসএইচ নূর চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল সেনা সদস্য ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে হানা দিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। বেঁচে যায় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ঘটনার ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় মামলা হয়। বিচারিক আদালত এ মামলায় ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আপিল বিভাগ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার বিষয়টি নিয়েও অনেক জল্পনা-কল্পনা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ন্যক্কারজনক এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯৯৬ সালে প্রথম মামলা দায়ের করা হয়। সেখানে আসামি করা হয় ২৪ জনকে।

ঢাকা, ০৭ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//টিআর

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।