প্রোগামে অনুপস্থিতি নিয়ে ভিপি ও এজিএসের পাল্টা অভিযোগ


Published: 2019-09-17 18:46:27 BdST, Updated: 2019-10-19 05:51:00 BdST

ঢাবি লাইভ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরকে ডাকসু'র বিভিন্ন প্রোগ্রামে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ করেছে এজিএস সাদ্দাম হোসেন।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরকে ডাকসুর কোনো প্রোগ্রামে পাওয়া যায়না। স্বাধীনতা দিবসের প্রোগ্রাম, ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানানো কিংবা আজকে ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামেও তিনি অনুপস্থিত।

ব্যক্তিগত কারণ দেখালেও তিনি আসলে রাজৈনতিক মতাদর্শের কারণে প্রোগ্রামে অনুপস্থিত থাকেন। তিনি তার দল গুছানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন সব সময়ই।
মঙ্গলবার দুপুরে ডাকসুর সভাকক্ষে ছাত্রলীগের নেতাদের ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা বলেন।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমরা দেখতে পাই নুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে সমস্যা সমাধানে না গিয়ে তিনি যান বিভিন্ন দূতাবাসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্মার্ট কার্ড সমস্যা সমাধানের চেয়ে তার মনযোগ বেশী নিজের পাসপোর্ট নিয়ে। তিনি ডাকসুর চেয়ে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ নিয়ে বেশী ব্যস্ত থাকেন। তাকে ঘিরে জঙ্গী সংগঠনকে সক্রিয় হতে দেখেছি আমরা।

অন্যদিকে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাকে কোন প্রোগ্রামে আমন্ত্রণ জানানো হয় না। আমন্ত্রণ না পেলে আমি কিভাবে যাব? এমনকি আজকের প্রোগ্রামেও আমি কোনো আমন্ত্রণ পাই নি। তারা যে সময়ে সংবাদ সম্মেলন করছে, ঐ সময় আমি ডাকসুতেই ছিলাম, না যাওয়ার কোনো কারণ ছিল না। ডাকসুর ২৫ সদস্যের ২৩ জনই ছাত্রলীগের। ডাকসু ভিপিকে না জানিয়ে তারা নিজেদের সিদ্ধান্তেই সব করে।

নুর বলেন, আমি ভিপি হিসেবে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে যখনই কোনো হলে যাই, তখনই হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হই। কোন প্রোগ্রাম হাতে নিলে জিএস, এজিএসের অসহযোগিতায় পণ্ড হয় সেই উদ্যোগ। আপনারা জানেন গত জুলাইয়ে ঢাকা ডাকসুর পক্ষ থেকে ‘অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন অন সাইবার সেইফটি অ্যান্ড ৯৯৯’ শীর্ষক সপ্তাহব্যাপী একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। উদ্যোগটি নিয়েছিলেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন। ১৬ জুলাই থেকে কর্মশালাটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা করতে পারেননি। কারণ, তিনি সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে নির্বাচিত।

এসময় তিনি ডাকসুর জিএসের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি ছাত্র সংগঠন জিএসের অপকর্মের কারণে তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সারা বাংলাদেশের একটি আবেগ-অনুভূতি, ভালোবাসার ও আস্থা ভরসার জায়গা সেই প্রতিষ্ঠানে কিভাবে একজন এমন প্রতিনিধি থাকে। যদি তাকে অপসারণ না করা হয় তাহলে এই ডাকসু কে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। একই সাথে সারা বাংলাদেশের ইতিহাসে খারাপ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে যে এরকম স্পষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।

ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।