স্ট্যামফোর্ড ছাত্রী রুম্পার লাশ, ‘বয়ফ্রেন্ড সৈকতই সব জানে’


Published: 2019-12-10 18:29:14 BdST, Updated: 2020-09-25 17:22:45 BdST

লাইভ প্রতিবেদক : স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য কাটছে না। এঘটনায় রুম্পার বয়ফ্রেন্ড আবদুর রহমান সৈকতকে আটক করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তবে রুম্পার বাবা পুলিশ পরিদর্শক রোকন উদ্দিন জানান, ঘটনার দিন রুম্পার সঙ্গে সৈকতের দেখা হয়েছিল। ওই দিন রুম্পা মৌচাকের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স ভবনের পাঁচতলায় তার এক বান্ধবীর কাছে গিয়ে কান্নাকাটি করেছিলেন। সৈকত সম্পর্কে সবকিছু আগে থেকেই জানতেন ওই বান্ধবী। তার সঙ্গে সৈকতেরও কথা হতো। রুম্পার খোঁজ না পাওয়ায় তার খোঁজে ওই বান্ধবী সৈকতকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু সৈকত ফোন রিসিভ করেননি। বৃহস্পতিবারও সৈকতকে ফোন করেন ওই মেয়ে। রিসিভ না করায় বিকেলে শান্তিবাগে রুম্পাদের বাসায় যান তিনি। রুম্পার মায়ের ফোন দিয়ে সৈকতের সঙ্গে কথা বলেন। মেয়েটির পরিচয় পেয়ে বাসায় ঘুমাচ্ছেন বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন সৈকত। রোকন উদ্দিন বলেন, রুম্পা সম্পর্কে কেন সেদিন সৈকত মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতে চায়নি, এটাও রহস্যজনক। রুম্পার মৃত্যু সম্পর্কে সৈকতই সব জানে। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে নয়।

উল্লেখ্য, বুধবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডের ৬৪/৪ নম্বর ভবনের সামনে থেকে পুলিশ রুম্পার লাশ উদ্ধার করে। লাশটি অজ্ঞাত হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়। থানায় হত্যা মামলা করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে লাশের পরিচয় পাওয়া যায়। মামলাটি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের দক্ষিণ বিভাগ তদন্ত করছে। সন্দেহভাজন হিসেবে শনিবার সৈকতকে আটক করার পর রোববার রুম্পা হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদিন তাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। ডিবির মিন্টো রোডের কার্যালয়ে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

মামলার তদারকি কর্মকর্তা ডিবির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শামসুল আরেফিন বলেন, সৈকতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।