বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ঢাবির করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব


Published: 2020-06-01 11:39:27 BdST, Updated: 2020-07-11 14:35:39 BdST

ঢাবি লাইভঃ দেশে এখন মহামারি নভেল করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব তুঙ্গে উঠেছে। প্রতিদিন বেড়েই চলেছে এই ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্তকরণ ল্যাব চালু হয় ৫ মে।

তবে শনাক্তকরণ মেশিনের অভাব, আর্থিক সংকট, অপ্রতুল জনবলসহ নানা কারণে একমাস না যেতেই সোমবার থেকে বন্ধ হচ্ছে ঢাবির করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনাভাইরাসের ল্যাবের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় এ তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এ সময় তিনি বলেন, গত ৫ মে থেকে আমরা দেশের মানুষের সেবা দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ল্যাব চালু করি। ল্যাবের সকল যন্ত্রপাতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দেশের গবেষণা সংস্থার কাছ থেকে আনা। যা ৩১ মে পর্যন্ত ব্যবহার করব বলে তাদের সঙ্গে চুক্তি হয়। এখন চুক্তির মেয়াদ শেষ। তাই আর করোনা শনাক্তকরণ কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত আমাদের গবেষক দল করোনাভাইরাসের পাঁচটি জিনোম সিকোয়েন্স করতে সক্ষম হন। রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পেলে আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাব। এছাড়া করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক যদি ভালো মানের গবেষণা করে, তাহলে তার যাবতীয় খরচ ব্যবস্থা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা করা বলে আশ্বস্ত করেন ঢাবি ভিসি।

উল্লেখ্য, গত ১৪ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাস রেসপন্স টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর শরীফ আখতারুজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শতাধিক রোগীর জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের কাজ করা হবে।

কিন্তু পর্যাপ্ত ফান্ডিং পেলে পরবর্তীতে ২০ হাজার জিনোম সিকোয়েন্স করা হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে এক কোটি টাকার মতো অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। তবে শেষ অবধি ঠিক কতগুলো জিনোম সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব হয়েছে সে বিষয়ে জানা যায়নি।

ঢাকা, ১ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।