ভোট বর্জন করেও ডাকসুর ভিপি নুর, জিএস রাব্বানী


Published: 2019-03-12 03:29:45 BdST, Updated: 2019-12-13 13:30:33 BdST

ঢাবি লাইভ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর ও জিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এছাড়া এজিএস হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন। সোমবার সকাল ৮ থেকে ভোটগ্রহণ শেষে রাত সাড়ে টার দিকে ডাকসুর ফল ঘোষণা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ভিপি পদে নূর পেয়েছেন ১১ হাজার ৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন পেয়েছেন ৯ হাজার ১২৯ ভোট।

জিএস পদে ছাত্রলীগের রাব্বানীই ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট হয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের রাশেদ খান পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৩ ভোট। এজিএস পদে জয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ১৫ হাজার ৩০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ফারুক হোসেন পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৯৬ ভোট।

সিনেট ভবনে ভিসি প্রফেসর আখতারুজ্জামান যখন বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করছিলেন, তখন সেখানে ছাত্রলীগের ভিপিপ্রার্থী শোভনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

যদিও সোমবার দুপুরেই ডাকসুর ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ বাদে সবকটি প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা অবিলম্বে ডাকসু নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট নেয়ার দাবি জানান। ওই দাবিতে তারা সোমবার দুপুরের পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ করেছেন। একপর্যায়ে তারা ঢাবি ভিসির বাসভবন ঘিরে রাখেন। একই দাবিতে তারা মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সর্বাত্মক ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর সোমবার অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন। সকাল থেকে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জন করেন ছাত্রলীগ ছাড়া সবকটি প্যানেলের প্রার্থীরা।

ঢাকা, ১২ মার্চ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//সিএস

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।