উচিতপুর (প্রস্তাবিত রহমতপুর) মিনি কক্সবাজার ঘুরে আসুন...বিশাল জলরাশিতে একটু প্রশান্তি ও কিছু কথা (ভিডিও)


Published: 2020-08-09 22:45:17 BdST, Updated: 2020-09-19 11:27:02 BdST

আজহার মাহমুদ: বিশাল জলরাশি। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। চারদিকে ঢেউ আর ঢেউ। অপার সৌন্দর্যে্র আধার। নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার উচিতপুর হাওর ( প্রস্তাবিত রহমতপুর) । নান্দনিক ও নৈসর্গিক প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠা এমনি এক সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থান। যা পর্যটকদের কাছে মিনি কক্সবাজার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সুবিশাল জলরাশি। চারিদিকে থৈ থৈ করছে পানি। নৌ-ঘাটে সারি সারি করে দাঁড়ানো নৌকা-ট্রলার। খানিকটা দূরে তাকালেই চোখে পড়বে পানির ওপর যেন ঠায় দাঁড়িয়ে আছে লাল-সাদা রঙের নান্দনিক এক ব্রিজ। দেখে মনে হতে পারে সাজানো কোনো এক বিশাল জাহাজ। মূলত লাল-সাদা রঙে আঁকা সুবিশাল এ ব্রিজটিই বৃদ্ধি করেছে সৌন্দর্য। এ ব্রিজ থেকে যেমন দেখা মিলবে সমুদ্রের মতোই বিশাল জলরাশি আর চোখে পড়বে হাওর-বাংলারপ্রাকৃতিক সৌন্দর্য। সেই সঙ্গে জলরাশি থেকে ভেসে আসা ছলাৎ ছলাৎ শব্দ মনকে করে তুলবে উতলা।

ছলাৎ ছলাৎ শব্দ মনকে করে তুলবে উতলা-ছবি- বাঁধন চক্রবর্তি

 

একপাশে বালুকণা। অন্য পাশে যতদূর চোখ চায় শুধু পানি আর পানি। এমন দৃশ্য শুধু বাংলাদেশে চোখে পড়ে সমুদ্র সৈকতেই। কিন্তু যতদূর চোখ যায় পানি আর পানিতে বিস্তৃত প্রান্তরের দ্বিতীয় দৃশ্যটি হয়ত চোখে পড়বে এই উচিতপুর হাওরে ( প্রস্তাবিত রহমতপুর)। বর্ষাকালে এই হাওরে থাকে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করোনাভাইরাস উপেক্ষা করেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঈদের পর থেকেই ছুটে যান পর্যটকরা।

জেলার মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে হাওরাঞ্চল। তবে মদন উপজেলার উচিতপুর এলাকায় বালই ব্রিজের দুই প্রান্তে রয়েছে প্রায় দু’ কিলোমিটার ডুবন্ত সড়কপথ। যেখানে ভোরের সূর্যোদয় এবং শেষ বিকেলের সূর্যের আলো মন ভোলায় যে কারো। বাতাসের ছোট ছোট ঢেউয়ে নৌকা দোলানোর স্বাদ পেতে প্রতিদিনই অসংখ্য দর্শনার্থী ভিড় করছেন। বিশেষ করে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে সকল শ্রেণিপেশার দর্শনার্থী বেড়ে যায় কয়েক গুণ। নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ঘুরে বেড়ান এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।

সজিবসহ পর্যটকরা নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ান এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে

 

উচিতপুর হাওর ( প্রস্তাবিত রহমতপুর) এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাইক্রোবাস, মিনিবাস, মোটরসাইকেল, সিএনজি চালিত অটোরিকশা আর নৌকাযোগে বিপুল সংখ্যক পর্যটক এসেছেন হাওরের সৌন্দর্য দেখতে। কেউবা দলবেঁধে নৌকায় গানের তালে নাচছেন। কেউবা হাওরের তীরে দাঁড়িয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। কেউ ছবি তুলছেন। অনেকেই ফেসবুকে দিচ্ছেন লাইভ। আবার অনেকেই ভিডিও ধারন করে রাখছেন আপনজনদের দেখাতে। তবে বেশির ভাগ পর্যটক স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। অধিকাংশ পর্যটকের মুখে ছিল না মাস্ক। নেই সামাজিক দূরত্বের বালাই। অনেকে মিলে নৌকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এ দিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নড়বড়ে অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

যেন রাজহাঁসের সঙ্গে জলরাশির বন্ধুত্ব-ছবি- বাঁধন চক্রবর্তি

 

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সৌন্দর্যের বিপুল পসরা সাজিয়ে বসেছে উচিতপুর হাওর (প্রস্তাবিত রহমতপুর)। প্রতি বর্ষাতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ঘুরতে আসেন এখানে। তবে এবারের ঈদে হাওরপ্রেমীর সংখ্যা আরও বেড়েছে। মানুষ দলবেঁধে ছুটছেন হাওরের বিভিন্ন মনোরম স্থানে। হাওরের পাড়ে পাড়ে এখন ভ্রমণপিপাসুদের কোলাহল। তাদের বাঁধভাঙা ঢল আর উচ্ছ্বাসে মাতোয়ারা হাওর পরিণত হয়েছে পর্যটনের এক বিশাল সম্ভাবনাময় স্বর্গপুরীতে। এবার ঈদে হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী জড়ো হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

শুকনো মৌসুমে হাওর মানে মাইলের পর মাইল ফসলি জমি। ধুলোউড়া মেঠোপথ। রূপালি নদী। বর্ষায় এই রূপালি নদীগুলোই ফুঁসে ওঠে। দুই তীর ছাপিয়ে প্লাবিত করে ফসলি মাঠ। এই প্লাবিত মাঠই বর্ষার হাওর। হাওর অধ্যুষিত অন্যতম একটি জেলা নেত্রকোনা। এই বর্ষায় অন্য বছরের চেয়ে হাওরে পানি তুলনামূলকভাবে বেশি এসেছে। তাই এবার ঈদে হাওরের বেশ কয়েকটি স্থানে ঢল নেমেছে দর্শনার্থীদের। এর মধ্যে রয়েছে গোবিন্দশ্রী, মনিকা, কদমশ্রী, মাঘান, ঘাটুয়া, জয়বাংলা বাজার, বোয়ালীসহ আশ পাশের গ্রাম। ঈদ উপলক্ষে বর্ষার স্বচ্ছ জলরাশি দেখতে পর্যটকরা ভিড় করছেন হাওরাঞ্চলগুলোতে। শেষ বিকেলে পানির ঢেউ, তার ওপর সূর্যের আলো যে কারও মন ভোলাবে।

 শেষ বিকেলে পানির ঢেউ, তার ওপর সূর্যের আলো যে কারও মন ভোলাবে-ছবি-বাঁধন চক্রবর্তি

 

দিগন্ত বিস্তৃত খণ্ড খণ্ড হাওরগুলো তাদের চৌহর্দি মিলে আমাদের ভাটির বাংলা বা ভাটি অঞ্চল গঠন করেছে। হাওর শব্দটির উৎপত্তিও সাগর থেকে সায়র; আর সায়র অপভ্রংশ হয়ে হাওর হয়েছে বলে ভাষা বিজ্ঞানীদের মতামত। হাওরের আছে ব্যাঞ্জরিত নাম। তলার হাওর, কয়রার হাওর, পাগলা হাওর, ডিঙ্গাপোতার হাওর, টাঙুয়ার হাওর, হাকালুকি হাওর, শনির হাওর, টগার হাওর, ডিঙ্গাপোতার হাওর, গজারিয়া হাওর, রোওয়াইলের হাওর, রাজালী কান্দার হাওর, আমগাছতলার হাওর, রাংচার হাওর, আরও কত নাম। ছোট ছোট নদী খাল নালা ডোবা আর বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে সীমাহীন বিল মিলিয়ে এ হাওরাঞ্চল ভাটির বাংলাকে যেন পরম মমতায় অপরূপ রূপে সাজিয়েছে এ বাংলার রূপকে মাতিয়েছে প্রকৃতিকে। হাওরের অপরূপ প্রাকৃতিক শোভা ঋতুতে ঋতুতে পরিবর্তন হয় ভিন্ন অবয়বে। বর্ষায় দিগন্ত জোড়া অথৈ জল উদ্দাম ঢেউয়ের অবিরাম মাতামাতি আর মন উদাসি মাতাল করা হাওয়া পর্যটকদের মন উদাস করে দেয় অহরহ। বর্ষার জলকেলি যিনি জীবনে একবার দেখেছেন তিনি বারবার ফিরে যাবেন হাওরের টানে। বর্ষায় যৌবনবর্তী হাওর সাগরের মতো অনন্ত অসীম জলাধারে একাকার। দূরের আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমানোর মনোরম দৃশ্য হৃদয়কাড়া সৌন্দর্য বলে শেষ করার মতো নয়। হাওরে নৌকা ভ্রমণে চাঁদনি রাতের স্মৃতি জীবনে একবার গেঁথে নিলে আমৃত্যু তার তৃষ্ণা থেকে যাবে।

অন্ধকারে চাঁদ ও জলরাশির মিতালি-ছবি-আজহার মাহমুদ

 

কিছু কথা:
করোনা মহামারীর কারণে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দীর্ঘদিন ধরেই ব্যাহত। এমনকি ঈদের মতো বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবও পালিত হয়েছে অনাড়ম্বরে। এর সঙ্গে দেশের একটা বড় অঞ্চল জুড়ে বন্যার প্রকোপ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এত মধ্যেও আনন্দের খোঁজ করতে চায় অনেকেই। কিন্তু সে আনন্দ যে কতবড় বিষাদময় পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, তারই একটি বড় দৃষ্টান্ত নেত্রকোনার মদনে রাজালিকান্দা হাওরে ট্রলারডুবির ঘটনা। এ নৌদুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু এক আনন্দ ভ্রমণকে নিমেষেই কালো মেঘে ঢেকে দিয়েছে।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চরসিরতা ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকার মারকাসুন্না হাফিজিয়া মাদ্রাসার বেশ কয়েক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ৫ আগস্ট সকালে নেত্রকোনার মদনে জামিয়া আজিজিয়া মঈনউল ইসলাম মাদ্রাসার আমন্ত্রণে বেড়াতে আসেন। দুপুরে মাদ্রাসার অন্তত ৪৮ শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে মদনপুরের উচিতপুর এলাকায় হাওরে ঘুরতে বের হন। তারা একটি ট্রলারে করে উচিতপুর থেকে গোবিন্দশ্রীর দিকে যাচ্ছিলেন। রাজালিকান্দা হাওরে হঠাৎ প্রচন্ড বাতাস ও ঢেউয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সাতজন রয়েছেন।

ট্রলারটি ছিল অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই

 

ট্রলারটি ছিল অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই। এরকম নৌযানে এভাবে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে বর্ষার উত্তাল হাওর পাড়ি দেওয়া আত্মহত্যারই নামান্তর। আমরা নিহত ও নিখোঁজ ট্রলারযাত্রীদের পরিবার এবং স্বজনের প্রতি নিশ্চয়ই গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করি; কিন্তু এই বেদনার মধ্যেও এতগুলো প্রাণের সলিলসমাধিতে ক্ষোভ ঢাকা পড়তে পারে না। বাংলাদেশের বিস্তৃত নৌপথে প্রাকৃতিক কারণে জলযান দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর ঘটনা নেহাত কম নয়। কিন্তু বুধবার নেত্রকোনার হাওরে যেভাবে ট্রলারটি ডুবে গেছে, তা নিছক ঔদাসীন্যের ফল ছাড়া কিছু নয়। সংশ্লিষ্টরা নিয়ম ও নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে এভাবে স্বজন হারানো মানুষের আহাজারি আমাদের দেখতে হতো না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, আর কতদিন এভাবে নদীপথে চলাচলকারী মানুষের হাহাকারে বাতাস ভারী হয়ে থাকবে?

দেশের দক্ষিণবঙ্গের উপকূল, উত্তরের হাওর ও নদী-তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম নদীপথ। একসময় দেশে নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় মিলে সর্বমোট প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্র্তৃপক্ষের নৌ-সওপ বিভাগ বাংলাদেশের উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ নৌপথে ১৯৬২ থেকে ১৯৬৭ পর্যন্ত নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় নদী জরিপ করে মোট ১৩ হাজার ৭৭০ কিলোমিটার নাব্য নৌপথকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপথ কর্র্তৃপক্ষ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।

পরবর্তীকালে ক্রমান্বয়ে নদীতে পলিমাটি পড়ে নাব্য হ্রাস পেতে পেতে ১৯৮৮ সালে নৌপথ ৫ হাজার ৯৯৫ কিলোমিটারে এসে দাঁড়ায়। এই বিস্তৃত নৌপথে উপকূল, হাওর ও নদী-তীরবর্তী জেলাগুলোয় বসবাসরত দরিদ্র জনসাধারণ শিশু, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দৈনন্দিন প্রয়োজনে প্রতিদিনই পারাপার হচ্ছে এবং তাদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। নৌপথগুলোর ওপর যেমন মানুষের চাপ বাড়ছে, তেমনি ক্রমশ সরকারি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়হীনতা, দুর্বল নজরদারি, ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ আইনকানুন প্রয়োগের অভাব রয়েছে, যে কারণে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নদীতে ঘটে গেছে অনেক নৌদুর্ঘটনা; যা অনেকের জীবনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

নৌপথের এই যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থায় অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিন দ্বারা পরিচালিত নৌযানের রুট, নৌযান দুর্ঘটনা ইত্যাদি সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকলেও এর বাইরে থাকা ছোট ছোট রুটের নৌযানগুলো আলোচনায় উঠে আসে না। এর কারণ হলো সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষ তাদের বৃহত্তর কাজের ক্ষেত্রটি আন্তরিকতার সঙ্গে নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং অভ্যন্তরীণ নৌ-কর্র্তৃপক্ষ তাদের কাজের ক্ষেত্রটি প্রতিনিয়তই সংকুচিত করে আনছে।

পাশাপাশি, করোনা মহামারীর সময়ে কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এত যাত্রী একটি ট্রলারে উঠতে পারল, সে প্রশ্ন উঠছে। দুর্ঘটনাটির পর জেলা প্রশাসনের পক্ষে নিহতদের স্বজনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সহায়তার চেয়ে জরুরি পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত হাওর অঞ্চলে পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া। উত্তাল হাওর অনেকের কাছে আকর্ষণীয়, কিন্তু বর্ষাকালে হাওরে ভ্রমণ করতে হলে কিছু আবশ্যকীয় নিয়ম মেনে চলতে হয়। আর এসব নিয়ম মানার দায়িত্ব যেমন ভ্রমণকারীদের, তেমনি নিয়মগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না তা দেখার দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনের। হাওরের উত্তাল আবহাওয়ায় স্থানীয়রা সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করেন। কিন্তু বহিরাগতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের সচেতন করার বিকল্প নেই। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষ আনন্দের খোঁজে বের হবে। কিন্তু অসচেতনতার জন্য এত মানুষের সলিল সমাধি মেনে নেওয়া যায় না।

শেষ কথা:

পরন্ত বিকেলের মিতালিতে নিমন্ত্রণ-ছবি- বাঁধন চক্রবর্তি

 

"যখন তুমি সমুদ্র দেখনি, বন্যার জল দেখে বলেছিলে নাবিক এই বুঝি তোমার সমুদ্র?
আমি বলেছিলাম ধূর বোকা সমুদ্র সে তো নীল নোনা জলের সীমাহীন আধার"
কবির ভাষার সাথে হয়ত কিছুটা সামঞ্জস্য আনে সমুদ্র আর উচিতপুরের মাঝে। কিন্তু যখন উচিতপুর হাওরে দাঁড়িয়ে আপনি চারিপাশে জলারাশী পানে মুগ্ধতা নিয়ে তাকাবেন তখন আপনার সমুদ্র স্নানের স্বপ্ন কিছুটা হলেও পূরণ হবে। তার অংশভাগ প্রতিশ্রুতি আমি আপনাকে দিব নেত্রকোনার পর্যটন সম্ভাবনার এই মিনি কক্সবাজার খ্যাত উচিতপুর হাওর ভ্রমণের নিমন্ত্রণ দিয়ে।

চাঁদনি রাতের মিতালিতে আমরা আমন্ত্রিত ছিলাম পাঁচজন-ছবি-অন্তর-শরিফ

ভিডিও: ভিডিও ধারণ করেছেন বাঁধন চক্রবর্তি

ঢাকা, ০৯ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এআইটি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।