লকডাউনের সিদ্ধান্তকে ভুল বললেন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী


Published: 2020-05-14 15:46:01 BdST, Updated: 2020-06-03 15:03:06 BdST

লাইভ ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় লকডাউনকেই একমাত্র সর্বোচ্চ কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে গ্রহণ করা হলেও; নোবেলজয়ী বায়োফিজিস্ট মাইকেল লেভিট বলেছেন, লকডাউনের সিদ্ধান্ত ‘একটি বড় ভুল’ ছিল। ফ্রেডি সেয়ার্সের আনহার্ডডটকমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এসময় লেভিট জানান, চীনের মতো দেশ যেভাবে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করেছে সেগুলোর ওপর বেশি করে নজর দেয়া উচিত ছিল। তার মতে, ফেস মাস্ক, হাত জীবাণুমক্ত করা এবং সংস্পর্শ ছাড়া লেনদেন বিশেষ করে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে লেনদেনের মতো পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত ছিল। এমনকি পুরো একটি দেশ লকডাউন না করে শুধু বয়স্ক মানুষজনকে বিচ্ছিন্ন করা উচিৎ ছিল বলেও তিনি মনে করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত নোবেলজয়ী এই বিজ্ঞানী জানান, করোনাভাইরাসের প্রতিক্রিয়ায় জার্মানি ও সুইডেন একটি আদর্শ মডেল; কারণ তারা হার্ড ইমিউনিটির ওপর জোর দিয়েছে এবং লকডাউন বেশিদিন দেয়নি। তাই এসব দেশ করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম বলে মনে করেন লেভিট। বিপরীতে বিপদে পড়বে অস্ট্রিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ। কারণ তারা অনেক আগেই লকডাউন দিয়েছে।

যেসব দেশ কড়াকড়িভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদেরকে তাদের ভুলের জন্য কঠোরভাবে মূল্যায়ন করবে। নোবেলজয়ী এই বিজ্ঞানী জোর দিয়েই বলেন যে, প্রত্যেকটি দেশের উচিত তাদের আক্রান্ত বাসিন্দাদের খুঁজে বের করা এবং তারা যেন অন্যকে সংক্রমিত করতে না পারে সেটা নিশ্চিত করা।

গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হলেও এখন করোনাভাইরাসের কবলে গোটা বিশ্বই। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ভুগছে ইউরোপ-আমেরিকা-এশিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল। এ ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪৪ লাখ। মৃতের সংখ্যা তিন লাখ ছুঁই ছুঁই। তবে প্রায় পৌনে ১৭ লাখ রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ সংখ্যা। লম্বা হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও।

ঢাকা, ১৪ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।