যে দর্শন নিয়ে ভিপি নুর রাজনীতিতে মাঠে আসতে চান!“জনতার অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার”


Published: 2020-08-12 22:54:39 BdST, Updated: 2020-09-24 18:15:22 BdST

ভিপি নুরুল হক নুর। হালে আলোচিত-সমালোচিত। শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে গিয়ে চলে আসেন আলোচনায়। একের পর এক সভা-সমাবেশ। মিটিং-মিছিল। আন্দোলন আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পথ চলা। নানান ঘটনা-সমাবেশের মধ্যদিয়ে ২৮ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। তার সোচ্চার কণ্ঠস্বর। আর সাহসী মানসিকতাই তাকে জীবনের একধাপ এগিয়ে দিয়েছে। প্রতিকুল পরিবেশে নির্বাচনে অংশ নেন নুর। ডাকসুর সহ- সভাপতির চেয়ার যেন তার জন্যেই তৈরী ছিলো। নির্বাচনী বৈতরণীতে সফলও হয়ে যান নুর।

ডাকসুর পর এবার দেশ সেবার দিকে নজর দিতে চান তিনি। এজন্য তিনি একটি রাজনৈতিক দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার ভাবনায় আছে মহান মুক্তিযুদ্ধ। কি আছে তার রাজনৈতিক দর্শন, যুব উন্নয়ন, জনসেবা, সমাজ উন্নয়ন সর্বপরি দেশ গঠনে কি তার পরিকল্পনা, বিশেষ করে বিদেশনীতি, দুর্নীতি, স্বেচ্চাচারিতা, গুম, ত্রুসফায়ার, আইনরক্ষাকারী বাহিনীর লাগামহীন আচরণ, ছাত্ররাজনীতির ভয়াবহতা ও মাদক নিয়ে তার ভাবনাসহ নানান বিষয়ে তিনি খোলামেলা কথা বলেছেন। তার কর্মসূচী আর কর্মপরিকল্পনা নিয়ে খুলেছেন। বলেছেন, সাম্য, মর্যাদা, সামজিক সুবিচার নিশ্চিত করা, একটি বৈষম্যহীন সামাজ নির্মাণ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে কাজ করতে চান।

তিনি ক্যাম্পাসলাইভের কাছে আরো বলেছেন, তার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ ও আকুতির কথা।
সেই আলাপচারিতা তুলে ধরেছেন আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিনিধি মিজানুর রহমান

ক্যাম্পাসলাইভ: আপনার রাজনৈতিক দল গঠনের কাজ কতটুকু সম্পন্ন করতে পেরেছেন?

ভিপি নুর: রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের কাজ একটি চলমান প্রক্রিয়া। সংগঠনের যে জিনিসটা আজকে ভালো হয়েছে সময়ের প্রয়োজনে কালকে আরো ভালো করতে হবে।
আর আমরা যেহেতু একটি ফর্মাল রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাচ্ছি সেই লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন ব্যক্তি,পেশাজীবি ও সংশ্লিষ্ট মানুষের সাথে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে যুক্ত করার জন্য আলোচনা করছি। মোটামুটি এই কাজ অনেকটা শেষের দিকে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র, লঘু, কর্মসূচী এসবের কাজ শেষ পর্যায়ের দিকে। এখন আরেকটু মডিফাই করে খুব শ্রীঘ্রই আমাদের দলটির নাম আত্মপ্রকাশ করবো।

ক্যাম্পাসলাইভ: আপনাদের রাজনৈতিক দলের মূল এজেন্ডা কি?

ভিপি নুর: আমরা আমাদের স্লোগান ঠিক করেছি যে "জনতার অধিকার আমাদের অঙ্গীকার।" জনতার অধিকার নিয়েই আমরা কাজ করবো। আমাদের সংগঠনের সংগ্রাম হবে। এখনকার প্রেক্ষাপটে আমরা দেখছি যে মানুষ তার নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো সাম্য, মর্যাদা, সামজিক সুবিচার নিশ্চিত করা, একটি বৈষম্যহীন সামাজ নির্মাণ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সেই হিসেবে কিন্তু আমরা এগুতে পারিনি। মুক্তিযুদ্ধের পরে নানান সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলো কূ পাল্ট কূ হয়েছে কিন্তু কখনোই জনগণের সরকার আমরা দেখিনি। সেই দিক থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও জনগণ পরাধীনই রয়ে গেছে।সেক্ষেত্রে জনগণের অধিকার তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ায় হলো আমাদের রাজনীতির অন্যতম এজেন্ডা বা সংগঠনের অন্যতম মূলমন্ত্র।

ক্যাম্পাসলাইভ: রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে কোন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন কি?

ভিপি নুর: প্রতিনিয়তই আমরা প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছি। বর্তমান যে অগণতান্ত্রিক সরকার আছে তারা চায় দেশে একটা স্বৈরতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে। ফলে রাজনৈতিক কার্যক্রম যারা চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের কে বাঁধা দিতে হামলা মামলা করছে। আমাদের নেতাকর্মীরা অনেকেই ক্ষমতাসীনদলের রোষানলে পড়ে হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন। তারপরও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি যে নির্যাতন নিপীড়নের মুখে কাজ চালিয়ে যেতে। আমরা এখন সরাসরিভাবে রাজনৈতিক কোন প্রোগ্রাম করছি না। করোনার সময়ে আমরা মানবিক দিক থেকে মানবিক কাজ যেমন মানুষকে সচেতন করা। বন্যাত্যদের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেওয়া এই কাজগুলো করছি। এই কাজগুলো করতে আমরা যখনই একটা শলাপরামর্শ করি তখনই দেখা যায় যে পুলিশ গিয়ে আমাদের সভা পন্ড করে দিচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা আমাদের কর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। ফলে আমাদের কাজ একটু বিঘ্নিত হচ্ছে। তারপরেও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিকূল পরিবেশেও কিছু করার।

ক্যাম্পাসলাইভ: করোনা কালে আপনি কি এমন উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন যার জন্য শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ আপনার প্রতি আস্থা রাখতে পারে?

ভিপি নুর: করোনাকালে যে সংকট তৈরি হয়েছে এবং এখনো চলছে এইসময়ে ব্যক্তিগতভাবে কিংবা কোন সংগঠনের ভূমিকা রাখার খুব বেশি সুযোগ নেই। তারপরও আমরা শুরু থেকে বিভিন্ন জেলায় নয় হাজার পরিবারকে প্রায় এক কোটি টাকার মতো খাদ্য সহায়তা করেছি। আমরা আমাদের সামর্থ অনুযায়ী সকলের পাশে দাঁড়িয়েছি। পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় মানুষের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করছি, বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছি।

ক্যাম্পাসলাইভ: আপনি কি আপনার জীবন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেন?

ভিপি নুর: এই অগণতান্ত্রিক সরকার যেভাবে ভিন্ন মতের মানুষের উপর নির্যাতন নিপীড়ন চালাচ্ছে, রাষ্ট্রীয় বাহিনী কে দিয়ে গুম খুনের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। ঈদের আগে একজন মেজরকে পর্যন্ত খুন করা হয়েছে। সেখানে আমরা যারা ভিন্নমতের মানুষ আছি তাদের তো জীবনের একটা ঝুঁকি থাকেই। বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলো একটা রাজনৈতিক কোনঠাসার মধ্যে রয়েছে সেখানে আমরা সরকারের দূর্নীতি অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাচ্ছি সেখানে শুধু আমি না আমার সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীই প্রাণনাশের শঙ্কায় আছে।

ক্যাম্পাসলাইভ: একটি রাজনৈতিক দল তৈরি ও তার কার্যক্রম পরিচালনায় অর্থের দরকার হয়। আপনাদের এই অর্থের উৎস কোথায়?

ভিপি নুর: বর্তমানে ডিজিটাল প্লাটফর্ম বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে অর্থ সংগ্রহ করেছি। করেনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা যেহেতু জনগণের জন্য রাজনীতি করবো আমাদের অর্থের পৃষ্ঠপোষক হবে জনগণ। গণ চাঁদা বা গণঅংশিদারিত্বের একটা অংশ সংগ্রহ করে সেভাবে আমরা আমাদের দল পরিচালনা করতে চাই। আমরা কাজ করতে গিয়ে যতটুকু অর্থের দরকার হবে বা যে সংকট তৈরি হবে আমরা সেটা মোকাবিলা করতে পারবো। এছাড়া আমাদের ৬৪ জেলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের তালিকাভুক্ত সদস্যরা আছেন। যারা চাঁদা দিবে। যুব অধিকার পরিষদের সদস্যরা রয়েছে যারা কন্টিবিউট করবে। আর মূলদলের সদস্যরা রয়েছে। তারা নিজেরা দিবে ও দান-অনুদান সংগ্রহ করবে। এখান থেকে একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আসবে বলে আশা রাখি। ফলে আমার মনে হয় না দল পরিচালনায় অর্থের সংকট তৈরি হবে।

ক্যাম্পাসলাইভ: শ্রুতি আছে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি এজেন্সি আপনাকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছে। এর সত্যতা কতটুকু?

ভিপি নুর: একটি দেশে যখন অগণতান্ত্রিক সরকার থাকে তারা তাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে নানা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে। এখানেও আমরা সরকারের নানা অপকর্ম ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যখন কথা বলছি তখন সরকার এসব প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। কখনো কখনো তাদের অনুগত সংবাদমাধ্যম ব্যবহার করেও এসব ছড়ায়। যদি তথ্য থাকে তাহলে সরকার সেটা খুঁজে বের করে জাতির সামনে উপস্থাপন করুক।

ক্যাম্পাসলাইভ: গণমাধ্যমের খবরে আমরা দেখেছি, আপনি বলেছেন, দেশের তিনশটি আসনেই আপনি প্রার্থী দিবেন। এমপি প্রার্থী হিসেবে আপনি নিজ এলাকার মানুষের মন জয়ের জন্য কীভাবে কাজ করছেন?

ভিপি নুর: আমরা এখনো জনপ্রতিনিধি হই নাই। সেই হিসেবে কাজ করতে চাইলেও আমরা খুব বেশি সুযোগ পাইনি। তারপরও আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে অন্যান্য এলাকার মতো খাদ্য সহায়তা করেছি। ঢাকায় যারা চিকিৎসা জনিত সমস্যায় পরে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছে আমরা সাধ্যমতো তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখনো দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীরা যারা ভর্তি হতে চায় তাদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

ক্যাম্পাসলাইভ: আপনি কেন মনে করেন শিক্ষার্থী, যুবক কিংবা প্রবাসীদের আপনার দলে যোগ দেওয়া উচিত?

ভিপি নুর: স্বাধীনতার ৫০ বছরেও আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ পাইনি। এদেশে যারা ক্ষমতায় ছিলো তারা একটা দূর্বৃত্যায়নের শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছে। দূর্নীতি ও লুটতরাজের শাসন কায়েম করেছে। সেই অবস্থা থেকে আমরা চাই দেশে একটি পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চালু হোক। গণকল্যাণমূখী রাজনীতি এদেশে তৈরি হোক।
যেহেতু বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো জনগনের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে সে ক্ষেত্রে নতুন ধারার রাজনীতির কোন বিকল্প নেই। আমাদের কর্মের মাধ্যমে দেশের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা আমরা অর্জন করতে চাই। মাত্র তিনবছরে যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে আমাদের সঠিক নেতৃত্ব এবং মানুষের জন্য নিজেদের ডেডিকেশন, অনেস্টি, সিনসিয়ারিটির মাধ্যমে আস্থা অর্জন করেছি। আমরা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছি যে অন্যায়ের সাথে আপোষ আমরা করিনা। যেকোনো সংস্কার আন্দোলনে নিজেরা নির্যাতিত নিপীড়িত হয়েও তরুণদের দাবি আমরা আদায় করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করে সফল হয়েছি। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনসহ যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছি অংশগ্রহণ করে যাচ্ছি। এগুলো বিবেচনায় আমি মনে করি সাধারণ মানুষ আমাদের প্রতি ভরসা রাখবে।

ক্যাম্পাসলাইভ: শিক্ষার্থীদের যারা আপনার রাজনৈতিক দলে যোগ দিচ্ছে তারা যদি সরকার, প্রশাসন, ক্ষমতাসীন দলের কর্মীদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে আপনি কিভাবে মোকাবিলা করবেন?

ভিপি নুর: একটা দেশে যদি আইনের শাসন না থাকে তখন দেশের প্রত্যেক মুক্তিকামী জনতা এবং গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিগুলো তার দ্বারা ভিক্টিম হয়। সেই অপশক্তির পতন ছাড়া বা দমন করা ছাড়া মুক্তি নেই। তাই এই অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে জণগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। যাতে এদের পতনের মাধ্যমে দেশে একটি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারি। সেটা করতে গেলে কিছু টা নির্যাতিত নিপীড়িত হওয়া লাগবে। বায়ন্নের ভাষা আন্দোলনে সালাম, রফিক, বরকতরা যদি প্রাণ না দিতেন তাহলে আমরা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারতাম কি না সন্দেহ রয়েছে। আর ১৯৭১ সালে যদি আমাদের মুক্তিযোদ্ধরা যদি প্রাণ উৎসর্গ না করতো তাহলে আমরা পরাধীন থাকতাম। কাজেই আমাদের সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত নিপীড়িত হচ্ছে আমরা তাদেরকে আর্থিকভাবে, মানসিকভাবে এবং আইনগতভাবে সার্বিক সহযোগিতা করে পাশে থাকার চেষ্টা করছি। কখনো আমরা পরিপূর্ণভাবে সাপোর্ট দিতে পেরেছি যারা ভুক্তভোগী হয়েছেন আবার কখনো পারিনি কিন্তু আমাদের চেষ্টার কোন ত্রুটি ছিলো না।

ক্যাম্পাসলাইভ: দেশের মূলধারার রাজনীতিতে নিজের দলকে কতটুকু গ্রহণযোগ্য করে গড়ে তুলতে পারবেন বলে মনে করেন?

ভিপি নুর: দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের শাসন ব্যবস্থায় মানুষ দেখেছে যে তারা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তাদের প্রতি জনগণের কোন আস্থা নেই। আমরা সবাই জানি যে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি এবং ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন কোন নির্বাচনই ছিলো না। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু জনগণ তাঁদের ভোটাধিকারের জন্য কোন আন্দোলন সংগ্রাম করেনি। কারণ তারা জানে ক্ষমতা থেকে চলে গেলে কারা আসবে এবং অতীতে তাদের চরিত্র যে খুব একটা ভালো ছিলো এমন নয়। এখন মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। আমরা পরিবর্তনের জন্য কাজ করছি। মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে আমাদের সংগঠনকে তৈরি করছি। আশা করি দেশবাসি আমাদের প্রতি আস্থা রাখবে।

ক্যাম্পাসলাইভ: নুরুল হক নুর আপনাকে ধন্যবাদ।

ভিপি নুর: আপনাকে ও ক্যাম্পাসলাইভ পরিবারকেও ধন্যবাদ।

ঢাকা, ১২ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।