দুই বর্ষের একই প্রশ্নে পরীক্ষা ইবির দুই শিক্ষকের সাজা


Published: 2019-11-17 14:40:02 BdST, Updated: 2019-12-09 18:54:23 BdST

ইবি লাইভঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগে দুই বছরের একই প্রশ্নপত্রে চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহন করায় পরীক্ষা বাতিলসহ দুই শিক্ষককে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। বিভাগের একাডেমিক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে বলে ইংরেজী বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সালমা সুলতানা নিশ্চিত করেছেন।

বিভাগ সূত্রে, বিভাগের তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় (২০১৯) গত ৯ নভেম্বর ‘এলিজাবেথান এ্যান্ড জ্যাকোবিয়ান ড্রামা’ (৩০৫) নং কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রশ্নপত্রের ৪টি প্রশ্ন বাদে সবগুলো প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়। জানা যায়, ৮০ নম্বরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৫ সেটে দশটি প্রশ্ন থাকে। শিক্ষার্থীকে প্রতি সেট থেকে যেকোনো একটি করে উত্তর দিতে হয়।

এছাড়া ৬ নং সেটে আরও ৮টি ছোট প্রশ্ন থাকে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীকে ৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ১৮ টি প্রশ্নের সঙ্গে ২০১৯ সালের ১৪টি প্রশ্ন হুবহু মিল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়। ফলে শনিবার অনুষ্ঠিত একাডেমিক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

একাডেমিক সভা সূত্রে, দুই বছরের একই প্রশ্নপত্রে চূড়ান্ত পরীক্ষা গ্রহন করায় তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি সহযোগী প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আজগর হোসেনকে এক বছরের জন্য পরীক্ষার সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে কোর্স শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন জাহিদকে আগামী দুই বছরের জন্য ঐ কোর্সের পাঠদানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে উক্ত কোর্সের পরীক্ষাটি বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইংরেজী বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. সালমা সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিভাগীয় সভায় এ পরীক্ষাটি বাতিল করেছি। পরবর্তীতে এ কোর্সের পরীক্ষা আবার অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা কমিটির নতুন সভাপতির দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে সেটিও নির্ধারণ করেছি।’

ঢাকা, ১৭ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।