‘শেখ রাসেলের মাঝে বঙ্গবন্ধুর গুণ পরিলক্ষিত ছিল’


Published: 2020-10-18 15:23:38 BdST, Updated: 2020-12-02 19:04:42 BdST

বশেফমুবিপ্রবি লাইভঃ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেফমুবিপ্রবি) উপাচার্যধ অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল ছিলেন তাঁর মতোই। তাঁর উদার হৃদয় ছিল মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা। শেখ রাসেলের মাঝে শৈশবেই বঙ্গবন্ধুর সকল গুণেরই পূর্বাভাস পরিলক্ষিত হয়েছিল। আর এটা বুঝতে পেরেই স্বাধীনতাবিরোধীরা তাঁকেও রেহাই দেয়নি।

শেখ রাসেলের ৫৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে মাননীয় উপাচার্য এসব কথা বলেন।

১৯৬৪ সালের এই দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি সেদিনের ১০ বছরের শিশু শেখ রাসেলও। বঙ্গবন্ধু এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

বাণীতে মাননীয় উপাচার্য বলেন, রাসেলের জ্বলজ্বলে সুতীক্ষ্ম চোখ দুটোই বলে দেয় ওই শিশুর মাঝে ভিন্ন কিছু ছিল। আজ বেঁচে থাকলে যে ভিন্নতা বাঙালি জাতি সম্যক অনুধাবন করতে পারত। পিতা শেখ মুজিব ও মাতা ফজিলাতুন্নেছা-ও বুকের ধন রাসেলকে সেভাবেই গড়ে তুলছিলেন। আজ বেঁচে থাকলে ৫৭তম বছরে পা দিতেন তিনি।

‘বঙ্গবন্ধুর মতোই ছিল তার উদার হৃদয়, ছিল মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা। বঙ্গবন্ধু যেমন নিজের জামা-কাপড় অন্যকে দিয়ে দিতেন, টুঙ্গিপাড়া গেলে একই কাজ করতেন রাসেলও। ছেলের এই অবস্থা দেখে টুঙ্গিপাড়া যাবার সময় মা ফজিলাতুন্নেছাও বেশি করে জামা-কাপড় কিনে নিয়ে যেতেন, যাতে তিনি (শেখ রাসেল) ইচ্ছেমতো তা বন্ধুদের দিতে পারে।’

নতুন প্রজন্মকে শেখ রাসেলের আদর্শে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, শিশু রাসেল অসম্ভব মেধাবী ছিলেন। তাঁর কথা-বার্তা, আচার-আচরণে সর্বদাই আভিজাত্য পরিলক্ষিত হতো। যেন পিতার যোগ্য উত্তরাধিকার। কিন্তু বুঝতে পেরে ঘাতকচক্র তাঁকেও রেহাই দেয়নি। রাসেলের বেঁচে থাকাটা কিছুতেই তারা নিরাপদ মনে করেনি। কিন্তু শেখ রাসেল বেঁচে থাকবেন এ দেশের প্রতিটি মায়ের হৃদয়ের রক্তক্ষরণে, প্রত্যেক শিশুর অন্তরে।

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//কেআই//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।