৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন শাহাদাত


Published: 2019-11-19 15:01:30 BdST, Updated: 2019-12-11 16:49:11 BdST

স্পোর্টস লাইভঃ সতীর্থ ক্রিকেটারের গায়ে হাত তোলা যেকোনো ধরনের ক্রিকেটের জন্যই একটি চরম মাত্রার অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটের আইন অনুযায়ী এটিকে ধরা হয় লেভেল-৪ মাত্রার একটি অপরাধ। যার ন্যূনতম শাস্তি ১ থেকে ৫ বছরের জন্য ক্রিকেট থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রদান।

একই শাস্তি পেতে হলো জাতীয় দলের সাবেক পেসার শাহাদাত হোসেন রাজিব। জাতীয় ক্রিকেট লিগে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে সতীর্থ খেলোয়াড় আরাফাত সানির (জুনিয়র) গায়ে হাত তোলার দায়ে রাজিবকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কিন্তু এই ৫ বছরর শাস্তির মধ্যে থেকে আবার দুই বছরের শাস্তিকে স্থগিত রাখা হয়েছে। যার অর্থ দাঁড়ায় মূল শাস্তি ৫ বছর করা হলেও আগামী তিন বছর বিসিবির অধীনে কোনো ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অংশ নিতে পারবেন না শাহাদাত হোসেন রাজিব।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার পর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির রিপোর্ট নিয়ে আলোচনার পর জাতীয় লিগ টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, 'আমরা শাহাদাত হোসেন রাজিবকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছি। যার মধ্যে প্রথম ৩ বছর সে বিসিবির অধীনে কোনরকম ক্রিকেটীয় কর্মকান্ডের সাথে অংশগ্রহণ করতে পারবেনা। এবং পরের ২ বছর সে কড়া নজরদারির মধ্যে থাকবে। তখন সে যদি কোনরকম শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে তাহলে পুরো ৫ বছর নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হবে তাকে।'

জানা যায়, আরাফাত সানিকে মারধরের ঘটনার সূত্রপাত হয় বল ঘষা নিয়ে। গত রবিবার ঢাকা বিভাগ ও খুলনা বিভাগের মধ্যকার ম্যাচে ঢাকার পেসার মোহাম্মদ শহীদ ছিলেন বোলার। ফিল্ডার আরাফাত সানি ফিল্ডিং করছিলেন মিড অফে। আর শাহাদাত রাজিব ছিলেন মিড অনে। বোলারের হাতে বল পৌঁছে দেওয়ার আগে রাজিব সতীর্থ ক্রিকেটার আরাফাত সানিকে বলেন, ভালোভাবে বলটা ঘষে দিতে যাতে করে উজ্জ্বল্যতা ঠিক থাকে।

আরাফাত সানি তা করতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করেন। তখন রাজিব তার দিকে এগিয়ে গিয়ে জানতে চেয়ে বলেন, কেন বল ঘষে দেবে না? রীতিমতো আরাফাতকে চার্জ করা শুরু করেন তিনি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এবং কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে
গিয়ে আরাফাত সানিকে কষে চড় বসিয়ে দেন রাজিব। এবং নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে লাথিও মারেন আরাফাত সানিকে।

এ অবস্থায় রাজিবকে থামানোর চেষ্টা করেন অন্য সব সতীর্থরা। কিন্তু তবুও থামানো যাচ্ছিল না। পরে তাকে জড়িয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় ড্রেসিং রুমে। এবং সেখান থেকেই সরাসরি ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয় তাকে। যার ফলে ম্যাচের শেষ দুই দিন আর খেলতে দেখা যায়নি রাজিবকে।

ঢাকা, ১৯ নভেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।