''বুয়েটের দাবি নিয়ে যে আন্দোলন হচ্ছে তাতে আমাদের কিছু করার নেই''


Published: 2019-10-10 22:34:08 BdST, Updated: 2019-11-13 10:24:39 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ এবার মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী। তার জিজ্ঞাসা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার হত্যাকাণ্ডের জেরে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদের আন্দোলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বুয়েটে আবরার হত্যাকাণ্ড ছাড়াও এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে, তখন শিক্ষক ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কোথায় ছিলেন?

তখন তারা কেন আন্দোলনে নামেনি? কেন এখন সবাই মিলে আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন? এটি আমার কাছে রহস্যজনক। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্ট ২০১৯’ প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বুয়েটের চলমান অস্থিরতা বুয়েট প্রশাসনের মাধ্যমে নিরসন করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কিছু চাপিয়ে দেয়া হবে না। এখানে যদি আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন বন্ধ করা হতো তাহলে এমন ঘটনা (আবরার হত্যা) ঘটত না।’

তিনি বলেন, ‘বুয়েটের ছাত্ররা যেসব দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছে তাতে আমাদের কিছু করার নেই। বুয়েট প্রশাসনের মাধ্যমে তা সমাধান করতে হবে।’

এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বুয়েটের ছাত্রলীগ ছাড়াও সেখানে অন্যান্য শক্তিশালী ছাত্র সংগঠন রয়েছে। এর আগে তাদের কখনো আন্দোলনে নামতে দেখা যায়নি। বুয়েটের ছাত্র সংগঠন থাকবে কি থাকবে না সেটি বুয়েট প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কিছু চাপিয়ে দেয়া হবে না।’

ভিসিকে অপসারণ করা হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভিসি থাকবেন কি থাকবেন না সেটি ভিন্ন বিষয়। তার আর মাত্র কয়েক মাস মেয়াদ আছে, কিন্তু যারা আজকে ভিসি পদত্যাগের দাবি তুলছেন, তারা এ ধরনের অন্যায়গুলোকে কিভাবে মেনে নিয়েছেন এবং এটি চলতে দিয়েছেন?

এটি তো আমার কাছে একেবারেই বোধগম্য নয়। যারা ভিসি পদত্যাগের দাবি তুলছেন তাদের নৈতিক অবস্থান থেকে তারা কী করেছেন, সেটি কি আমাকে জানাতে পারেন বলে প্রশ্ন তোলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ঢাকা, ১০ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।