করোনায় আক্রান্ত আয়াসহ ২ নারী, হাসপাতাল লকডাউন


Published: 2020-04-05 22:56:57 BdST, Updated: 2020-05-29 09:23:00 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ এর আগে শেরপুরের কারও শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়নি। অবশেষে রবিবার ২ জন মহিলার শরীরে এই প্রাণঘাতি ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে বলে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।

জানা যায়, আক্রান্ত দুই মহিলার মধ্যে একজন শ্রীবরর্দী সরকারি হাসপাতালের (কর্মচারি) আয়া। নাম খোদেজা বেগম। স্বামী নাজিম উদ্দিন মুন্সি। বাড়ী উপজেলার সাতানি পাড়া গ্রামে। খোদেজা গতকাল পর্যন্ত হাসপাতালে সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে শ্রীবরর্দী হাসপাতাল, রোগী ও হাসপাতালের আবাসিক এলাকায় অবস্থান করা ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারিদের লকডাউন করা হয়েছে।

আক্রান্ত খোদেজার ছেলে খুরশেদ শহরের বর্ষা ডিজিটালে কাজ করে। নিবির ডায়াগনষ্টিকে খোদেজা অতিরিক্ত কাজ করার ফলে ওই দুটি প্রতিষ্টানকেও লক ডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। খোদেজা ও তার পুরো পরিবারকে সাতানি পাড়ায় লকডাউনে রাখা হয়েছে।

এদিকে শেরপুর জেলা শহরের শাহীনা আক্তার নামে আরেক মহিলার শরীরেও মিলেছে করোনার ভাইরাসের উপস্থিতি। শাহীনার স্বামী নাম লিটন। তিনি সদর উপজেলার ভাতশালা মধ্যবয়রা সরকার বাড়ীর বাসিন্দা। গৃহবধূ হওয়ার কারণে স্বামীর বাড়ীতেই লকডাউন অবস্থায় অবস্থান করছেন। সেই সঙ্গে তার বাবার বাড়ীও ডাউন অবস্থায় রয়েছে।

জানা গেছে, ২-৩ ধরে খোদেজা বেগম ঠান্ডা হাছি কাশি ও জ্বরে ভূগছিলেন। রবিবার সকালে খোদেজার করোনা পরীক্ষার জন্য ময়ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। পরে রাত ৮টার দিকে ময়মনসিংহ থেকে ফলাফল আসে খোদেজার শরীরে করোনার ভাইরাস রয়েছে। এর আধা ঘন্টা পরেই আসে শাহিনা আক্তারের রক্তের রিপোর্ট।

এই দুই নারীই শেরপুরে প্রথম করোনা রোগী হিসেবে সনাক্ত হলেন। দু’জন করোনা রোগীকে কেন্দ্র করে বিশাল এলাকা জুড়ে লক ডাউনের প্রস্ততি চলছে বলে পুলিশের পক্ষ হতে জানানো হয়েছে। জেলার সিভিল সার্জন একেএম আনওয়ারুল রউফ এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা, ০৫ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।