করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে আবারও ছুটি!


Published: 2020-06-04 10:04:30 BdST, Updated: 2020-07-06 05:26:38 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে অস্থির হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্ব। ভাইরাস মোকাবিলায় হিমশিম খেতে হচ্ছে বড় বড় দেশগুলোকেও। এমন অবস্থায় দেশের সাধারণ ছুটি বন্ধ করে দিয়ে গণপরিবহনসহ অফিসসমূহ খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে গেলে সরকার ফের ছুটিতে ফিরে যাবে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে।

সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকলে আবারও ছুটি দেওয়া হবে কিনা- জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, ‘আমরা যদি দেখি আমাদের ব্যাপক অবনতি ঘটছে তাহলে তো আমাদের আর বিকল্প কিছু থাকবে না।

আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডগুলো চালিয়ে নেয়ার জন্যই এটা খুলে দেয়া হলো। মানুষ যাতে মাস্ক পরে নিরাপদ দূরত্বে থাকে, আমরা সেটা বলছি। যখন মানুষ এটা করতে ব্যর্থ হবে, এবং এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। তখন তো ঘরে থাকা ছাড়া উপায় থাকবে না।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘আমরা জানি যে ৮৫ শতাংশ করোনা আক্রান্ত রোগী ঘরে বসেই চিকিৎসা নিতে পারবে। সংক্রমণ যেন বৃদ্ধি না পায় সেদিকে আমরা নজর রাখছি। ছোট দেশ বিশাল জনসংখ্যা, ম্যানেজ করা কঠিন হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা পুলিশ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কঠোরতা অবলম্বন করছি।’

সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে সরকারি দফতরগুলোকে অফিস করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি জানান, ‘আমরা ১৫টি দিন দিয়েছি। আজ চতুর্থ দিন যাচ্ছে। প্রথম দিনের চেয়ে আরও কম সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে অফিস করছি। আমাদের ম্যাসেজটা অলরেডি সব জায়গায় পৌঁছে গেছে।

অফিস টাইমটাও খুবই ফ্লেক্সিবল। যার যখন কাজ শেষ হবে দ্রুত চলে যাবে। যদি কেউ ২ ঘণ্টায় কাজ শেষ করতে পারে সে চলে যাবে। যদি না এসে বাসায় বসে করতে পারে করে দেবে। কোনো কিছু আটকাবে না। কিন্তু মুভমেন্টটা কম থাকবে।’

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ও করোনা সংক্রান্ত মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান জানান, ‘আমাদের হাতে আরও কিছুটা দিন সময় আছে। আমরা পরিস্থিতি দেখছি। পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তো কোনো সমস্যা নেই। তবে অবনতি হতে থাকলে আমরা বসে তখন করণীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’

এদিকে গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হুড়োহুড়ি, বাড়তি যাত্রী হওয়া, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দেশকে আরো সংকটে নিমজ্জিত করতে পারে।

আমি পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সংকটে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের অনুরোধ জানাচ্ছি। আমাদের অসচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানায় পরিস্থিতির যদি আরও অবনতি হয় তাহলে জনস্বার্থে সরকার আবারও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে।’

ঢাকা, ০৪ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।