শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা


Published: 2021-06-06 21:13:39 BdST, Updated: 2021-09-19 17:23:41 BdST

কোভিড-১৯ সংক্রমণ কমতে থাকায় সরকারি বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। গণপরিবহনসহ প্রায় সবকিছুই স্বাভাবিক হয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি সরকার। এরমধ্যে সারাদেশে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির এমন ইঙ্গিত দেওয়ার পরদিনই সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা আসে মন্ত্রণালয় থেকে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর ১২ জুন পর্যন্ত ছুটি বৃদ্ধির আদেশ প্রত্যাখান করে বিবৃতি প্রদান করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ২৯ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩ মে খোলা হবে। পরে তা আরেক দফা বাড়িয়ে ২৯ মে করা হয়। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর সেই ছুটি এবার আগামী ১২ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের। বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভাবনা তুলে ধরেছেন আমাদের ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম প্রতিনিধি 'আর এস মাহমুদ হাসান'


"শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি"
মারজুকা রায়না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
করোনা আক্রান্ত হায়ে এখনো দেশে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জনের মৃত্যু হচ্ছে। তার মধ্যে অনেকেই আবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ থাকলেও ক্যাম্পাস খালি পেয়ে হাজার হাজার মানুষের বিচরণতো রয়েছেই, নেই কোন সতর্কতা। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে আবাসন সংকট, বিশেষ করে যারা গণরুমে গাদাগাদি করে থাকছে তারা বেশি স্বাস্থ্য সংকটে পড়বে। মেসগুলোর অবস্থাও আরো বেশি নাজেহাল। তাই এই মূহুর্তে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা অবশ্যই রয়েছে।

মারজুকা রায়না

 

আর একদিকে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যেরও চরম অবনতি হচ্ছে। বেকারত্বের দাসত্ব আমাদের চরমভাবে গ্রাস করছে। তাই এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে ক্যাম্পাস খোলার কোন বিকল্প দেখছি না। সেক্ষেত্রে প্রশাসন কর্তৃক কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, প্রতিটি শিক্ষার্থীর টিকা নিশ্চিত করে এবং আপাতত করোনাকালীন সময়ের জন্য বহিরামুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করে অতিদ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হোক।

সেশনজটের সাথে বেড়েই চলেছে মানসিক অবসাদ ও বিষন্নতা
সাকিব আহমেদ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
বারবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পেছালেও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সুনির্দিষ্ট কোন তারিখ পায়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এখনও অনিশ্চয়তার মেঘ কাটেনি। সেশনজটের সাথে বেড়েই চলেছে শিক্ষার্থীদের মানসিক অবসাদ, বিষন্নতা এবং নৈরাশা। বেড়েছে ক্যাম্পাসে ফেরার আকুলতা। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরতে চায়, ফিরে পেতে চায় তাদের প্রাণের স্পন্দন।

সাকিব আহমেদ

 

স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে শিক্ষার্থীরা তাদের মস্তিষ্কে জং ধরা নিউরনগুলো সতেজ করতে চায়। আবারও ঘুরে দাঁড়াতে চায় সাহিত্য, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানের চর্চায়। তাই অপেক্ষার প্রহর আরও দীর্ঘ না করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেবার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

"শিক্ষাক্ষেত্রে সচল অবস্হা ফিরিয়ে আনতে হবে"
জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।
২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের 'উহান' শহরে করোনা ভাইরাসের একটি প্রজাতির সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর থেকেই ভাইরাসটি বিশ্ব জুড়ে মহামারি আকার ধারণ করেছে। এতে করে জনজীবনে যেমন ভোগান্তি তৈরি হয়েছে, শিক্ষা ব্যবস্হার হয়েছে তেমন অবনতি। ভাইরাসটি মহামারি আকার ধারণ করায় গত বছরের মার্চ মাস থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তা ও মনন বিকাশের একমাত্র হাতিয়ার ছাত্রসমাজ। ভোটাধিকারপ্রাপ্ত স্বাধীন চিন্তারও প্রতিফলনকারী এই ছাত্রসমাজ। তরুণ প্রজন্মের বিকাশ সাধন সম্পূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত। কারণ মেধা বিকাশের জন্য সম্পর্কটা হতে হয় ছাত্র-শিক্ষক বান্ধব। নিজেদের মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রভূমি এই শিক্ষাঙ্গন।

জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া

 

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে ছাত্র-শিক্ষকের অর্ধেক অংশই হতাশাগ্রস্হ। কথায় আছে শিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড।এই মেরুদন্ডই যখন নড়বড়ে তখন শিক্ষার সম্প্রসারণ চিন্তা আকাশ কুসুম কল্পনা। রাস্তাঘাট, দোকানপাট, গণপরিবহণ যখন বন্ধ নেই, শ্রমিকের আন্দোলনে যখন সকল পরিবহন চালু করে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীরা কেন ক্লাস করতে পারবে না! হাট-বাজার বন্ধ থাকলে খাদ্য, বস্ত্রের সংকট দেখা যায়, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার দরুণ চিন্তাশীল সমাজ গঠনে গোটা জাতি বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে পরছে। এতে করে অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরছে।যাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর কথা ছিল তাদের অনেকে অকালে ঝরে যাচ্ছে। গৃহবন্দী থাকার দরুণ অনেক মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবা মা মেয়ের পড়াশোনার চেয়ে বিয়ে করে সংসারী হওয়াটাকে প্রাধান্য দিচ্ছে। এর পরিপেক্ষিতে একটা গুরুতর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে গোটা ছাত্রসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। সময়ের মাত্রা সংকোচন করে তাই অতি দ্রুত শিক্ষার সচল অবস্হা ফিরিয়ে আনতে হবে।

"দয়া করে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিন"
মোঃ মিজানুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চিন্তাশীল এবং সৃষ্টিশীল। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা প্রাপ্তবয়স্ক, ভোটাধিকার প্রাপ্ত নাগরিক। তাই তাদের মতামত, চিন্তাশক্তির মূল্য রয়েছে। করোনার শুরু থেকে দেশে যখন জরুরি অবস্থার পরিবেশ তৈরি হয় তখন থেকে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো সাধারণ সিদ্ধান্তের আয়তাভূক্ত করে বন্ধ করে দেয়, সার্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে। তখন অন্য সব ক্ষেত্রেও একই অবস্থা জারি করা হয় যেন সংক্রমণ না ছড়ায়। কিন্তু ৬ মাস পর ধীরে ধীরে সব সেক্টরই সচল করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের পরিবর্তন আসেনি। যখনই প্রেস ব্রিফিং দেয়া হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে তখন শুধুই 'স্কুল-কলেজ' এই শব্দই ব্যবহার করে বিবৃতি দেয়া হয় বা এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের কথাই বলা হয়। কিন্তু এদের বাইরেও তো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন যাদের প্রেক্ষাপট অন্যদের থেকে সম্পূর্ণই আলাদা, তারা প্রাপ্ত বয়স্ক ভালো মন্দ জ্ঞান রাখে এবং তারা শিক্ষা জীবন শেষ করলেই পা রাখবে কর্ম ক্ষেত্রে। তবে অন্য সব সেক্টর খুলে, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রেখে কি প্রমাণ করা হয় যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই রাষ্ট্রের সব থেকে নির্বোধ সম্প্রদায় যারা কিনা করোনার সুরক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞ? অথচ তারাই কিনা প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক এবং দেশের অনেক বড় বড় সিদ্ধান্তের পেছনে এবং আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা পালনকারী।

মোঃ মিজানুর রহমান

 

ক্যাম্পাস খুললে আবাসিক হলে সংক্রমন নিয়ে সরকার চিন্তিত। কিন্তু যেসব শিক্ষার্থীরা বাসায় অবস্থান করছে, জীবিকার তাগিদের তাদের বাসার সকলেই বাইরে যাচ্ছে হর হামেশা, এখানে কি তাদের করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি নেই? যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩য়, ৪র্থ বর্ষে অবস্থান করছেন তারা অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কর্মক্ষেত্রের লড়াইয়ে প্রবেশ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থী নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। সবার বাসার সংগতি উচ্চবিত্তদের মতো না, সেক্ষেত্রে আর্থিক ভাবে তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ভার্সিটি বন্ধ থাকায় ঘরে বসে থেকে। অথচ সরকারি সার্কুলার ঠিকই একের পর এক হয়ে যাচ্ছে, অনেক চাকুরীর পরীক্ষার লিখিত এবং ভাইভাও হয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সাথে পরিবারগুলো আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে আছে। সরকারের প্রতি অনুরোধ দয়া করে বিশ্ববিদ্যালয়ে খুলে দিন।

"অনিশ্চিত জীবন আর কত দিন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিন"
রিম্পা খাতুন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নামে দফায় দফায় ছুটি বাড়াচ্ছে সরকার। এদিকে বাস, লঞ্চ, ট্রেন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, হাট-বাজার, শপিংমলসহ সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদে। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেই কি করোনা বিরাজমান? শুধু শিক্ষার্থীরাই স্বাস্থ্যবিধি সম্বন্ধে অজ্ঞ! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে কেন এতো উদাসীনতা?

রিম্পা খাতুন

 

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী হতাশায়, ৭১ শতাংশ উদ্বেগ এবং ৭০ শতাংশ মানসিক চাপে নিমজ্জিত। অনেকে পড়া ছেড়ে মাদক কিংবা অনলাইন গেইমে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এছাড়া পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত হাজারো শিক্ষার্থী বই ছেড়ে কাজে লেগে পড়েছে। আজ ছাত্রসমাজ চরম বিপর্যয়ের মুখোমুখি। করোনায় মৃত্যুর চেয়ে আত্মহত্যায় মৃত্যুর হার দ্বিগুণ। যার সিংহভাগ শিক্ষার্থী। এই অনিশ্চিত জীবন থেকে আমরা মুক্তি পেতে চাই, আপন স্রোতে আবার ফিরে যেতে চাই।

"অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া হোক"
মোঃ জহির রায়হান লিমন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ।
২০২০ সালের ১৭ ই মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। করোনাকালীন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চললেও তা ফলপ্রসূ হয়ে উঠেনি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী মফস্বল এরিয়ার হওয়ায়, উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার আওতাভুক্ত না হওয়ায় অনলাইন ক্লাস করতে সক্ষম হয়নি। অপরদিকে শিক্ষার্থীদের বিরাট একটা অংশ নিজের পরিবারের হাল ধরতে গিয়ে বিভিন্ন চাকরিতে যোগ দিয়েছে আবার কেউ কেউ ডিপ্রেশনে ভুগে আত্মহত্যার মত ভয়াবহ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

মোঃ জহির রায়হান লিমন

 

কিন্তু এ অবস্থা নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বাস্থসেবা নিশ্চিত করে ক্লাস করানোর সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের বারংবার উদাসীনতা প্রকাশ পেয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের জন্যে যেমন বিরাট ক্ষতির তেমনি একটা জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়ার জন্যেও যথেষ্ট। তাই স্বাস্থসেবা নিশ্চিত করার জন্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়ে অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া হোক।

ঢাকা, ৬ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।