এনইউ: অসাম্প্রদায়িক বিশ্বাসে বঙ্গবন্ধু ছিলেন সদা অবিচল


Published: 2019-08-19 21:26:04 BdST, Updated: 2019-12-09 23:54:02 BdST

এনইউ লাইভ: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনইউ) ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বলেছেন, ‘বাঙালি সত্ত্বার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ। বঙ্গবন্ধু শৈশব থেকেই আজীবন চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস ও কর্মে এ আদর্শকে মনেপ্রাণে ধারণ ও লালন করেন। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে একে দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করতে আত্মনিবেদন করেছেন। অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক বিশ্বাসে বঙ্গবন্ধু সর্বদা অবিচল ছিলেন।’

সোমবার ৪টায় বাংলা একাডেমি আয়োজিত সেমিনারে ‘বঙ্গবন্ধুর বাঙালি সত্ত্বা’ শীর্ষক একক বক্তৃতা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ।

ভিসি বলেন, ‘বাঙালির স্বাধীনতা অর্জন ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত এবং লক্ষ্য অর্জনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুতি করার পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বপ্রথমে খাঁটি বাঙালি হতে হয়েছে। বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য, আন্দোলন সংগ্রাম স্বপ্ন, ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য বা ভূ-প্রকৃতি, বাঙালির মানস, ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি, কৃষ্টি, শিল্প, লোকাচার, অন্য কথায়, যা-কিছু নিয়ে বাঙালি সত্ত্বা-স্বকীয়তা তার সবকিছু তাঁকে মনেপ্রাণে, চিন্তা-চেতনায় ও আন্দোলন-সংগ্রামে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হয়েছে।’

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একদিনে বঙ্গবন্ধু হননি। তিনি কখনোই আপোষ করেননি। অনেক বড় বড় নেতা আপোষ করেছেন। শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দীর মতো নেতাও আপোষ করেছেন। কিন্তু একমাত্র বঙ্গবন্ধু কখনোই আপোষ করেননি। সেই নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার নীলনকশা করেছেন জিয়াউর রহমান। তিনি সব জানতেন। ’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে এম খালিদ এমপি। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

ঢাকা, ১৯ আগস্ট (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআই

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।