ভুয়া আইডি নিয়ে বিব্রত ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক


Published: 2019-10-19 20:22:15 BdST, Updated: 2019-11-16 04:32:41 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ ভুয়া আইডি নিয়ে বিব্রত ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদক। তাদের ভাবনা কোন একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এসব করছে। ছাত্রদলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতেই তারা ফেসবুকের আইডি খুলছে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে। ভুয়া ফেসবুক আইডি নিয়ে বিব্রত ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদ ইকবাল হোসেন শ্যামল।

গত ১৯শে সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত হন তারা। এর পরের দিনই দুইজনের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে যায়। পরে তাদের নামে ২০ থেকে ৩০টি ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্ন ধরণের প্রচারণা ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এই সকল আইডির দায়দায়িত্ব ওনারা বহন করেন না। আমরা মনে করছি সরকারের এজেন্সিগুলো আমাদের আইডি গুলো হ্যাক করে নতুন আইডি খুলে বিভ্রান্তির চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে গত ৫ ও ৬ অক্টোবর রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন খোকন ও শ্যামল। জিডির নম্বর ২২৬ ও ২৯০। জানতে চাইলে সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন বলেন, আমার নামে অনেকগুলো নতুন ফেসবকু আইডি খোলা হয়েছে। আর এগুলোতে বিভিন্ন ধরণের প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।

আর আমার নামে কোন ফেসবুক আইডি নাই। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পরের দিনই আমার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক হয়েছে।

এরপর থেকেই আমরা কোন ফেসবুক আইডি নাই। আর আইডি হ্যাক হওয়ার পর আমি এই বিষয়ে থানায় একটি জিডি করেছি। এখন কে বা কাহারা এই আইডি হ্যাক করেছে আমি এখনো নিশ্চিত নই। তবে এটা সরকার দলীয় লোকের কোন অপপ্রচেষ্টা হতে পারে। আমরা এই বিষয়ে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির বলেন, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের আইডি হ্যাক হওয়ার পর থেকেই আমরা ফেসবুকে এবং মৌখিতভাবে বিষয়টি সবাইকে জানিয়েছি। গত কয়েকদিন ধরে এগুলোতে খুব বাজে ধরণের স্ট্যাটাস দেয়া হচ্ছে। আমি মনে করি এটা আমাদের সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ব্যাপক একটা ষড়যন্ত্র।

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।