ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা: সাবেক ডাকসু নেতাদের নিন্দা


Published: 2020-09-27 00:17:12 BdST, Updated: 2020-10-23 06:16:13 BdST

ঢাবি লাইভ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের(ডাকসু) সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে ঢাবি ছাত্রীর ধর্ষণ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার ঘটনাকে সরকারের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে বার বার মামলা ও ‘হয়রানির’প্রতিবাদে নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ১৯৯০ সালের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা।

শনিবার ডাকসুর তৎকালীন জিএস ও বিএনপির বর্তমান যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৯০ এর ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতৃবৃন্দ; আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবীব, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাইফ উদ্দিন আহমেদ মনি, খোন্দকার লুৎফর রহমান এবং আসাদুর রহমান খান আসাদ এক যুক্ত বিবৃতিতে ডাকসু’র সদ্য বিদায়ী ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের, তাকে দফায় দফায় গ্রেফতার ও হয়রানির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

প্রসঙ্গত ১৯৯০-৯১ সালে ডাকসুর নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল থেকে আমান উল্লাহ আমান ভিপি, খায়রুল কবির খোকন জিএস হিসেবে নির্বাচিত হন।

বিবৃতিতে বলা হয়,“বিরোধী দল ও মতকে দমন করার ঘৃণ্য চক্রান্তের অংশ হিসেবে ডাকসু’র সাবেক ভিপি নুরকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে সরকারি বাহিনী তাকে গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদের নামে শারীরিক ও মানসিকভাবে নিপীড়ণের ঘৃন্য পথ বেছে নিয়েছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভোটারবিহীন অবৈধ সরকার ডাকসু’র মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ও সংগ্রামী ছাত্র নেতৃত্বের চরিত্র হননের জঘন্য খেলায় লিপ্ত হয়েছে।”

নুরুল হক নূরকে হয়ারানি না করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বিৃতিতে বলা হয়, “ডাকসুর বিদায়ী ভিপি নুর সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীনদের দেশবিরোধী নানা কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন বলেই সরকার নাখোশ হয়ে তাকে হেনস্তা করার নীতি গ্রহণ করেছে, যা গণবিচ্ছিন্ন সরকারের রাজনৈতিক দেওলিয়াত্বকেই নগ্নভাবে উন্মোচিত করেছে।

নেতৃবৃন্দ এধরনের অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান এবং ছাত্রসমাজ ও জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানান।”

গত ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণ, অপহরণ ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে চরিত্রহননের অভিযোগে নুরুল হক নুর ও তার ছয় সহযোগীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক ছাত্রী।

প্রথম মামলায় প্রধান আসামি করা হয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হাসান আল মামুনকে, যিনি এতদিন ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন। দ্বিতীয় মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগকে।

এছাড়া নুরুল হক নুরসহ সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা ও কর্মী আবদুল্লাহ হিল বাকিকে আসামি করা হয়।

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।