বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস, পরীক্ষা বর্জনের দাবি


Published: 2020-05-05 21:45:31 BdST, Updated: 2020-06-04 01:10:59 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, লকডাউনের কারণে সকল প্রকার কর্মজীবী মানুষের কর্মসংস্থান বন্ধ। তাদের আর্থিক অবস্থা ভীষণ খারাপ। যেখানে ঘরে দু'বেলা খাবারের নিশ্চয়তা নেই, সেখানে প্রতিদিন মিনিমাম ১০০ টাকার এমবি দিয়ে ক্লাস করা বিলাসিতা ছাড়া কিছুই নয়। যাদের এই সামর্থ্য আছে তারা নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে ক্লাসে অংশ নিতে পারে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্যের নামে একটি সংগঠন অনলাইনে ক্লাস, পরীক্ষা বর্জনের দাবি জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী শহরের বাইরের, গ্রাম অঞ্চলের, প্রতন্ত অঞ্চলের। দুর্বল নেটওয়ার্ক সেবার ফলে যেখানে ফোনেই কথা বলা যায় না সেখানে অনলাইন ক্লাস করাটা অকল্পনীয় চিন্তা। আর যারা কোন প্রকারে অংশ নিতে পারছেন তারা ক্লাসের পড়া কিছুই বুঝতে পারছেন না।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, অনলাইন ক্লাস হলো সেমিস্টার ফি নেওয়ার একটি ফাঁদ। ভার্সিটি গুলো শিক্ষার্থীদের রিটেক এবং অন্যান্য ভয় দেখিয়ে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধ্য করছে যাতে পরবর্তী সময়ে সেমিস্টার ফি আদায় করা যায় ৷ বর্তমান পরিস্থিতে শিক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা বিবেচনা না করেই ক্লাস চালিয়ে যাওয়া ও সেমিস্টার ফি মওকুফ না করার সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিণত হয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে।

তাই আমরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্যের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ থেকে সকল অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ডাক দিলাম। এছাড়া অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসির নির্দেশনা অমান্য করেই টিউশন ফি প্রদানের জন্য চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা আরো দাবি করেন সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সেমিস্টার টিউশন ফি মওকুফ করতে হবে, শিক্ষক ও স্টাফদের বেতন কর্তন করা যাবে না এবং করোনার পরবর্তী সময়ে কোন শিক্ষার্থী যাতে ঝরে না পড়ে সেজন্য শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করতে হবে।

ঢাকা, ০৫ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এআইটি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।