বিয়ের চাপে ছাত্রের আত্মহত্যা, হারপিক খেয়েছেন গার্লফ্রেন্ডও!


Published: 2019-10-04 21:28:31 BdST, Updated: 2019-10-18 15:31:17 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ সমবয়সী গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছেন সোহাগ আহমেদ নামে এক ছাত্র। আড়ালে আবডালে ডেটিংও হয়েছে তাদের। তবে বিয়ের জন্য চাপ দিতেই বেঁকে বসেন তিনি।

এনিয়ে ওই ছাত্রী তার বাড়িতে অনশনে যাওয়ায় মানসম্মানের ভয়ে আত্মহত্যার ভয়ংকর পথ বেছে নিয়েছেন ওই ছাত্র সোহাগ। এঘটনা শুনে ওই ছাত্রীও হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

পরে ওই ছাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। নাটোরের গুরুদাসপুরের আনন্দনগর গ্রামের ঘটনা এটি। আত্মহত্যাকারী কলেজছাত্র সোহাগ উপজেলার আনন্দনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। তার গার্লফ্রেন্ড জাকিয়া জান্নাত উপজেলার খামারনাচকৈড় গ্রামের জহুরুল ইসলামের মেয়ে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আনন্দনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সোহাগ রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সট্রিটিউটের ছাত্র। তার সঙ্গে রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রী জাকিয়া জান্নাতের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ৬ মাস যাবৎ তাদের মধ্যে প্রমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

বৃহস্পতিবার সারাদিন দুইজন চলনবিলে নৌকায় ঘুড়ে বেড়ায়। তাদের বেড়ানোর খবর জাকিয়া জান্নাতের বাবা-মা জানতে পান। বিকেলে বাড়ি ফিরে এলে জাকিয়া জান্নাতকে মা-বাবা বকা দেন। মা-বাবার বকা খেয়ে ওই ছাত্রী সোহাগের বাড়িতে গিয়ে সমস্যার কথা জানায় এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয়।

সোহাগ বিয়েতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বাড়ি থেকে চলে যায়। জাকিয়া জান্নাত তার বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করে। গভীর রাতে দুই পরিবার তাদের বিয়ে দিতে একমত হয়।

এ সময় প্রেমিক সোহাগ জাকিয়া জান্নাতকে বিয়ে করবেনা জানিয়ে প্রতিবেশীর ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এখবর পেয়ে জাকিয়া জান্নাত টয়লেটে গিয়ে দরজা বন্ধ করে হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

গুরুদাসপুর থানার ওসি মো.মোজাহারুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে একটি ইউডি মামলা হয়েছে। উভয় পক্ষের অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লে­খ করেন তিনি।

ঢাকা, ০৪ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।