৪৬ প্রধান শিক্ষক ও ৩১৯ জন সহকারী শিক্ষকের পদ ফাঁকা


Published: 2020-01-22 16:17:22 BdST, Updated: 2020-02-24 06:03:39 BdST

লাইভ প্রতিবেদকঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ নেই কোন প্রধান শিক্ষক। এসব বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। যার ফলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় মোট ৭০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।যার মধ্যে ৪৬টি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য অবস্থায় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরাই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। আরও ৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে রয়েছে জটিলতা। এছাড়াও জেলায় শূন্য রয়েছে ৩১৯টি সহকারী শিক্ষকের পদও।

আরা জানা যায়, মামলা সংক্রান্ত কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় ১০০, শিবগঞ্জ উপজেলায় ১৩৩, গোমস্তাপুর উপজেলায় ৩৪, নাচোল উপজেলায় ৩৬, ভোলাহাট উপজেলায় ১৬ সহকারী শিক্ষকের পদ ফাঁকা রয়েছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন জেলার বেশকিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান ও সহকারী শিক্ষকের পদ খালি থাকায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে একদিকে যেমন প্রশাসনিক কাজে সমস্যা হচ্ছে সেই সাথে শিশু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও বিঘ্নিত হচ্ছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই সংকট আরও বেশি লক্ষ করা যায়।

সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার শাজাহানপুর ইউনিয়নের চর কাঁচিচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৬৬২ জন। এই বিদ্যালয়ে অনুমোদিত সহকারী শিক্ষকের পদ ১০টি। কিন্তু এখানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩জন শিক্ষক। ৭ জন শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে এ বিদ্যালয়ে।

এমনই অবস্থা জহুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অনুমোদিত ৮ জন শিক্ষকের জায়গায় কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩ জন শিক্ষক। চরআলাতুলি কোদালকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ জনের জায়াগায় কর্মরত আছেন ৪ জন শিক্ষক।

এছাড়াও চরআলাতুলি কোদালকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নামোসূর্যনারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরবাগডাঙ্গা-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেখালিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে রয়েছে শিক্ষক সংকট। অন্যদিকে একই অবস্থা শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের চরাঞ্চলগুলোতে অবস্থিত বিদ্যালয়গুলোর।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলার ৪৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় একদিকে প্রশাসনিক কাজে সমস্যা হচ্ছে, আরেকদিকে শিশু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে। এ বিষয় সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।

ঢাকা, ২২ জানুয়ারি (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।