বিচারপতি সিনহার মামলার রায় ফের পেছাল


Published: 2021-10-21 12:31:43 BdST, Updated: 2021-12-02 23:03:24 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এসকে সিনহা) ১১ জনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার রায় আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে দুইবার এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ পেছানো হলো। রায় ঘোষণার নতুন তারিখ ৯ নভেম্বর।

বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, আজ রায় ঘোষণার দিন ধার্য থাকলেও রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তারিখ পেছানো হয়েছে। আগামী ৯ নভেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণার নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর একই আদালতে এ মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষ হয়। এর পর রায় ঘোষণার জন্য ৫ অক্টোবর তারিখ ধার্য করেন আদালত। কিন্তু সেদিন বিচারক পারিবারিক কারণে ছুটিতে থাকায় মামলার রায় পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল।

এসকে সিনহা ছাড়া মামলার বাকি আসামিরা হলেন— ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি একেএম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়।

গত ২৯ আগস্ট একই আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাত আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

২০১৯ সালের ১০ জুলাই ঋণ জালিয়াতি ও চার কোটি টাকা আত্মসাতে জড়িত থাকার অভিযোগে এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা ১-এ মামলা করা হয়। মামলার বাদী দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

গত ২৪ আগস্ট আলোচিত এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। ওই দিন তার জেরা শেষ হওয়ায় আদালত আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ২৯ আগস্ট দিন ধার্য করেন। এ মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে সবার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

ঢাকা, ২১ অক্টোবর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।