শতবর্ষপূর্তি উদযাপনে ঢাবির নানান কর্মসূচি ঘোষণা


Published: 2021-06-19 00:03:32 BdST, Updated: 2021-07-28 14:31:55 BdST

ঢাবি লাইভ: শতবর্ষপূর্তি উদযাপনের ব্যাপক আয়োজনের কথা ভাবছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। একটি প্রতিষ্ঠানের এর চাইতে আর কি হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি আপন মহিমায় শতবছর পার করেছে। তার নিজস্ব ভাবধারা বজায় রেখেছে। তৈরী করেছে অসংখ্য গুনি-জ্ঞানী-বিদগ্ধজন। দেশ বিদেশে তার লাখ লাখ শিক্ষার্থী আজ আপন মহিমায় খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠার ১০০ বছর পূর্তি উদযাপন করতে যাচ্ছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়(ঢাবি)।

১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠার পর বিশ্ববিদ্যালয়টি ১ জুলাই শতবর্ষ পূর্ণ করবে। করোনাভাইরাসের কারণে এবার থাকছেনা জাঁকজমকপূর্ণ কোনো অনুষ্ঠান। তাই দিনটিকে কেন্দ্র করে সীমিত পরিসরে প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে শতবর্ষ পূর্তির মূল অনুষ্ঠানের অগ্রবর্তী অনুষ্ঠান ১ জুলাই আয়োজন করা হবে। করোনা সংক্রমণের কারণে শতবর্ষের মূল অনুষ্ঠান হবে নভেম্বরে। শুক্রবার (১৮ জুন) শতবর্ষ উদযাপন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এতে বলা হয়, আগামী ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি হবে। এ উপলক্ষে আগামী ১ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শতবর্ষের মূল অনুষ্ঠান বড় পরিসরে জাঁকজমকপূর্ণভাবে আয়োজন করা হবে। রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শতবর্ষের মূল অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এদিকে চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সীমিত পরিসরে প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে শতবর্ষ পূর্তির মূল অনুষ্ঠানের অগ্রবর্তী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এসব কর্মসূচি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিস্টরা।

শতবর্ষের ক্যাম্পাস

 

শতবর্ষের কর্মসূচি:

১। ক) বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সম্মুখে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

খ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিসি, প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে ডিন, প্রভোস্ট এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও প্রক্টর উপস্থিত থাকবেন।

গ) অনুষ্ঠানটি লাইভ স্ট্রিমিং এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইপি টেলিভিশনে সম্প্রচার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট, ফেসবুক লাইভে সম্প্রচার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন পরিচালক, আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) সেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ঘ) জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এস্টেট ম্যানেজার, ঢাবি।

ঙ) জাতীয় সংগীত বাজানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

চ) বেলুন ও ফেস্টুনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন প্রধান প্রকৌশলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

২। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য বা Theme স্মরণিকা কমিটি উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করবেন। স্মরণিকা প্রকাশের লক্ষ্যে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যানকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

৩। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের দিন বিকেল ৪টায় প্রশাসনিক ভবনে প্রফেসর আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনলাইন ভার্চুয়াল মিটিং প্লাটফর্ম জুমের মাধ্যমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় ভাষাসৈনিক, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবী আবদুল গাফফার চৌধুরী সংযুক্ত হয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।

এছাড়া আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রো-ভিসি, কোষাধ্যক্ষ, প্রাক্তন ভিসি, ডিন, প্রভোস্ট, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট এবং সমিতিসমূহের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকরা অনলাইনে সংযুক্ত থাকবেন। অনুষ্ঠানটি ফেসবুক লাইভে প্রচারিত হবে।

৪। প্রফেসর আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, পরিচালক, আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) সেল, পরিচালক, পাবলিক রিলেশন্স উপস্থিত থাকবেন। আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করার জন্য রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সমন্বয় সাধনের জন্য পরিচালক, আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) সেল-কে অনুরোধ করা হয়।

৫। চারুকলা অনুষদের ডিনের সহায়তা নিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য একটি ব্যাকড্রপ ব্যানার এবং অনলাইন আলোচনা সভার বিষয়ে প্রচারণার জন্য একটি ডিজিটাল ব্যানার প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন প্রধান প্রকৌশলী। প্রস্তুত করা ডিজিটাল ব্যানার ২/৩ দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন পরিচালক, আইসিটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট

 

ঢাবির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস:

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে স্বাধীন জাতিসত্তার বিকাশের লক্ষ্যে বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ। এর মাত্র তিনদিন আগে ভাইসরয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন জানিয়েছিলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ধনবাড়ির নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক এবং অন্যান্য নেতারা।

২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ব্যারিস্টার আর নাথানের নেতৃত্বে ডি আর কুচলার, ড. রাসবিহারী ঘোষ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, নবাব সিরাজুল ইসলাম, ঢাকার প্রভাবশালী নাগরিক আনন্দচন্দ্র রায়, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ডব্লিউ এ টি আর্চিবল্ড, জগন্নাথ কলেজের অধ্যক্ষ ললিত মোহন চট্টোপাধ্যায়, ঢাকা মাদরাসার (বর্তমান কবি নজরুল সরকারি কলেজ) তত্ত্বাবধায়ক শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওয়াহেদ, মোহাম্মদ আলী (আলীগড়), প্রেসিডেন্সি কলেজের (কলকাতা) অধ্যক্ষ এইচ এইচ আর জেমস, প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক সি ডব্লিউ পিক এবং সংস্কৃত কলেজের (কলকাতা) অধ্যক্ষ সতীশ চন্দ্র আচার্যকে সদস্য করে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠিত হয়।

১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয় নাথান কমিটির ইতিবাচক রিপোর্ট এবং ওই বছরই ডিসেম্বর মাসে সেটি অনুমোদিত হয়। ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশনও ইতিবাচক প্রস্তাব দিলে ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইন সভায় পাস হয় ‘দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট (অ্যাক্ট নম্বর-১৩) ১৯২০’। ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বার উন্মুক্ত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ

 

সে সময়কার ঢাকার সবচেয়ে অভিজাত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর পূর্ববঙ্গ এবং আসাম প্রদেশ সরকারের পরিত্যক্ত ভবনসমূহ ও ঢাকা কলেজের (বর্তমান কার্জন হল) ভবনসমূহের সমন্বয়ে মনোরম পরিবেশে গড়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। কলা, বিজ্ঞান ও আইন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত বিভাগগুলো ছিল সংস্কৃত ও বাংলা, ইংরেজি, শিক্ষা, ইতিহাস, আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, ফারসি ও উর্দু, দর্শন, অর্থনীতি ও রাজনীতি, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, গণিত এবং আইন।

প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০ জন। যেসব প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে শিক্ষকতার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তারা হলেন-হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এফ সি টার্নার, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, জি এইচ ল্যাংলি, হরিদাস ভট্টাচার্য, ডব্লিউ এ জেনকিন্স, রমেশচন্দ্র মজুমদার, এ এফ রহমান, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন অস্থিরতা ও দেশভাগের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা কিছুটা ব্যাহত হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন পূর্ববঙ্গের বা পরবর্তী সময়ের পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত প্রদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এ দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা উজ্জীবিত হয়। নতুন উদ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ড শুরু হয়। তৎকালীন পূর্ববাংলার ৫৫টি কলেজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হবার সুযোগ লাভ করে। ১৯৪৭-৭১ সময়ের মধ্যে পাঁচটি নতুন অনুষদ, ১৬টি নতুন বিভাগ ও চারটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং এর পরবর্তী সকল জন-আন্দোলন ও সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে গৌরবময় ভূমিকা। স্বাধীনতা যুদ্ধে এ বিশ্ববিদ্যালয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আক্রমণের শিকার হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্রছাত্রীসহ শহীদ হয়েছেন অনেকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে প্রণীত ১৯৬১ সালের আইয়ুব সরকারের জারিকৃত অর্ডিন্যান্স বাতিলের জন্য ষাটের দশক থেকে শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উক্ত অর্ডিন্যান্স বাতিল করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ-১৯৭৩ জারি করেন। ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে এবং পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৬০টি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র এবং ছাত্রছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল, চারটি হোস্টেল ও ১৩৮টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ১৫০ জন। পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় দুই হাজার ৮ জন শিক্ষক।

ঢাকা, ১৭ জুন (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এআইটি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।