শেখ হাসিনা: নেতৃত্ব, মানবিকতা ও দূরদৃষ্টি শীর্ষক সেমিনার''প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য ধরে রাখতে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করতে হবে''


Published: 2021-09-27 15:33:53 BdST, Updated: 2021-10-18 13:05:53 BdST

জবি লাইভ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য ধরে রাখতে হলে আমাদের শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ইতোমধ্যে এই অভিযান শুরু হয়েছে। যখন বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু হলো তখন কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি যে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে। তখন থেকেই আমাদের শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করেছেন। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান চালিয়েছেন। তিনি ক্যাবিনেট সদস্যদের বিচারের আওতায় এনেছেন। কাউকেই তিনি ছাড় দিচ্ছেন না।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে (২য় তলা, ভিআইপি লাউঞ্জে) বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম-এর উদ্যোগে “শেখ হাসিনা: নেতৃত্ব, মানবিকতা ও দূরদৃষ্টি” শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, শুদ্ধি অভিযানের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদ দুর করতে হবে। সামাজিকভাবে প্রচারনার মধ্য দিয়ে মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে রুখতে হবে। রাজনৈতিক উগ্রবাদিতা পরিহার করতে হবে। কোন নেতা যেন জনবিচ্ছিন্ন না হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। জগনগনের মাঝে সঠিক বার্তা পৌছাতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে দল যেন জনগনের সহানুভুতি না হারায়।

শুভেচ্ছা বিনিময়

 

পরিকল্পনার কথা উল্লেখ্য করে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা মাফিক দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা রুপকল্প-২১ এ থেমে নেই। আমরা রূপকল্প-৪১ হাতে নিয়েছি। বর্তমানে দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ সব দিক দিয়ে এগিয়ে। মাতৃ মৃত্যুহার কম, শিশু মৃত্যুহার কম এবং নারীর ক্ষমতায়নে আমরা এগিয়ে আছি। এমডিজি লক্ষ্য পূরণ করে আমরা ১২টি পুরস্কার পেয়েছি। এমডিজির ২১ টি লক্ষ্যের মধ্যে আমরা ২০ টি পূর্ণ করেছি। এসডিজি আমরা ২০৩০ এর মধ্যে অর্জন করবো। সে ক্ষেত্রে আমরা একশন প্ল্যান তৈরি করেছি এবং কাজ করছি।

আওয়ামী লীগ ৯৬ তে ক্ষমতায় এসে ৯৭ সালে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিলেন। আগের পরিকল্পনা সংস্কার করলেন। শুরুতেই প্রাইভেট সেক্টরকে গুরুত্ব দিলেন। মুদ্রাস্ফীতি কমালেন, খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়লেন। বড় বড় বন্যা মোকাবেল করলেন। শান্তি চুক্তি করলেন। বয়স্কভাতা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সহ বিভিন্ন ভাতা চালু করলেন। এসব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করা সম্ভব হয়েছে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক আইজিপি ও কলামিস্ট এ কে এম শহীদুল হক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. কামালউদ্দীন আহমদ, বিশিষ্ট চিকিৎসক ও কলামিস্ট প্রফেসর ডা. মামুন আল মাহাতাব (স্বপ্নীল) ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর প্রফেসর ড. মোস্তফা কামালসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। সেমিনারে বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন।

বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহবায়ক প্রফেসর ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া) এর সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশিষ্ট কলামিস্ট ও ফোরামের সদস্য-সচিব প্রফেসর ড. মিল্টন বিশ্বাস। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম এর সদস্য প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমআইএস//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।