তরুণদের বাবারা অনেক টাকাওয়ালা আইনজীবিরাওআদালতে এলএসডি মাদকসেবিদের হাসিখুশি-ভাবলেস, হতবাক সকলেই...


Published: 2021-06-01 01:38:39 BdST, Updated: 2021-07-27 20:50:39 BdST

শান্তনা রহমান: ওরা মাদকসেবী। ওরা ভয়ঙ্কর। ওদের বুকভরা সাহস। এটা মাদকের নেশারই প্রভাব। আলোচিত এলএসডি মাদকের প্রভাব খুবই বেশী। এটা সেবনের পর তার আচরণে খুব সহজেই নেশার প্রভাব দেখা মেলে। ওরা ধনীর ঘরের দুলাল। চলাফেরা, বলনে, চলনে ছিলো আধুনিকতার উচ্চতর আচর। গ্রেপ্তারের আগে ওই এলএসডি তারা সেবন করেছিলো। তখন ছিলো নেশায় বুদবুদ। দুনিয়াকে তারা রঙিন দেখছিলো। যে কারণে ওই ভয়ংকর এলএসডি সেবন করে আদালতের পথে ও আদালতে তারা অট্রহাসিতে ছিলো মশগুল। কাউকেই তারা তোয়াক্কা করেনি। ফলে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলো সকলেই। বিব্রত ছিলো আইনজীবিরাও।

ভয়ংকর মাদক এলএসডি সেবন ও বেচাকেনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ ছাত্রকে ৫ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। এ সময় সোমবার (৩১ মে) আদালতে হাজির মাদক মামলায় গ্রেপ্তার তরুণদের হাস্যজ্জ্বল থাকায় হতবাক করেছে সবাইকে। আদালতে হাজির করার পরও তাদের আচরণে এতটুকুও বদলায়নি। ছিলো খুবই স্বাভাবিক।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম খান বলেছেন, ভয়ংকর মাদক এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড) সেবনের প্রভাবে তারা আদালতে হাস্যজ্জ্বল আচরণ করেছে। যা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত। তাই তরুণ সমাজ বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্রকে সচেতনতার সঙ্গে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন এ সমাজবিজ্ঞানী। তিনি আরো বলেন, মাদকের প্রভাব এতটাই পড়েছে যে, হিতাহিত জ্ঞান হারিয়েছেন তারা।

সেই ভাবলেস-হাসিখুশি- সাইফুল ইসলাম সাইফ, এস এম মনওয়ার আকিব, নাজমুস সাকিব, নাজমুল ইসলাম,
বি এম সিরাজুস সালেকীন 

 

রিমান্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন-সাইফুল ইসলাম সাইফ (২০), এস এম মনওয়ার আকিব (২০), নাজমুস সাকিব (২০), নাজমুল ইসলাম (২৪) ও বি এম সিরাজুস সালেকীন (২৪)। ভয়াবহ মাদক এলএসডিসহ হাতেনাতে গ্রেফতার ৫ তরুণকে রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্টন থানায় যখন নেয়া হয় তখনও সবার মুখেই ছিল হাসি। এটা অনেককেই বিব্রত করেছে। অনেকেই মুখ ফিরিয়ে রিয়েছেন এসব দেখে। এমনকি সোমবার (৩১ মে) দুপুরে যখন আদালতে তোলা হয় তখনও বদলায়নি তাদের আচরণ। অপরাধবোধ তো দূরের কথা তাদের মধ্যে যেন কোনো অনুশোচনাও নেই। এমনকি রিমান্ড মঞ্জুরের পরও তাদের চেহারায় নেই উদ্বেগের কোনো ছাপ। এ ঘটনায় আইনজীবীরাও হতবাক হয়েছেন। তারা বলছেন- বহু আসামি দেখেছেন। কিন্তু এরকম বিকারগ্রস্ত আসামি কোনোদিন তারা দেখেননি।

সিএমএম আদালতের অতিরিক্ত প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন খান হিরন বলেন, এ তরুণদের বাবারা অনেক টাকাওয়ালা। তাই তারা মনে করেছেন তাদের কিছুই হবে না। অচিরেই তারা খালাস পাবে বা মুক্তি পাবে। পরিণতি সম্পর্কে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। সে কারণে তারা হাসিখুশি ও ভাবলেস অবস্থায় আছে। আমরা সেটাই লক্ষ্য করেছি।

অন্যদিকে রোববার মতিঝিল বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আ. আহাদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাজধানীর শাহজাহানপুর, রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা এক বছর ধরে এলএসডি সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন। দুই হাজার মাইক্রোগ্রাম এলএসডি, আইস ও গাজা জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এক বছর ধরে অনলাইনে এলএসডি বেচাকেনা করছে তারা।

কুরিয়ার ও লাগেজের মাধ্যমে বিদেশ থেকে এলএসডি দেশে নিয়ে আসা হয়। অনলাইনে গ্রাহক সংগ্রহ করে এলএসডি ব্যবসায়ীরা। সেবনকারীদের বিষয়েও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এর আগে রাজধানী থেকে ভয়ংকর মাদক এলএসডি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সেই রুপল (২৫), অসহাব ওয়াদুদ ওরফে তূর্য (২২) ও আদিব আশরাফ (২৩)।

 

অন্যদিকে ওই মামলার আসামি রূপল-তুর্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ছাত্র, আদিন পড়েন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে। গত বুধবার রাতে এলএসডি বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এসময় এই তিনজনের কাছ থেকে ২০০টি এলএসডি জব্দ করা হয়। প্রতিটি এলএসডি তিন হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করতেন তারা।

প্রসঙ্গত, ১৫ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুরকে কার্জন হল এলাকায় তার তিন বন্ধু এলএসডি সেবন করান। এর প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে যান। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এক ডাব বিক্রেতার ভ্যানে রাখা দা নিয়ে তিনি নিজের গলায় আঘাত করেন। তিনি পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আটদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে তার মরদেহ অজ্ঞাতনামা হিসেবে পড়ে ছিল। পরে তার ভাই এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। এরপর থেকেই এলএসডির বিষয়টি আলোচনায় আসে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুর

 

এলএসডি কেন এত ভয়ঙ্কর?

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের হাফিজুর রহমানের মৃত্যু হয় গত ১৫ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সে সময় তার পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এর সপ্তাহ খানেক পর তার পরিবারের পক্ষ থেকে ওই ছাত্রের মরদেহ শনাক্ত করা হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ওই ছাত্রের গলা দিয়ে রক্ত ঝরতে দেখা যায়। ভিডিওর শেষভাগে রক্তাক্ত অবস্থায় একটি রিকশায় উঠতে দেখা যায় তাকে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, ওই ছাত্র বন্ধুদের সাথে মাদক এলএসডি সেবন করে একজন ডাব বিক্রেতার দা নিয়ে নিজেই নিজের গলায় আঘাত করেন। পুলিশের সন্দেহ, এলএসডির প্রভাবেই ভুক্তভোগী ছাত্র নিজেকে এভাবে আঘাত করেছিলেন। এরকম ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, মানুষের জন্য এলএসডি কতটা ক্ষতিকর?

এই সেই ভয়ঙ্কর এলএসডি মাদক

 

এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনস্থ মাদক বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ড্রাগ অ্যাবিউজের তথ্য অনুযায়ী, ডি-লাইসার্জিক অ্যাসিড ডায়েথিলামাইড বা এলএসডি রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি একটি পদার্থ যা রাই এবং বিভিন্ন ধরণের শস্যের গায়ে জন্মানো এক বিশেষ ধরনের ছত্রাকের শরীরের লাইসার্জিক অ্যাসিড থেকে তৈরি করা হয়। এটি স্বচ্ছ, গন্ধহীন একটি পদার্থ। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের মতে এটি পাউডার, তরল, ট্যাবলেট বা ক্যাপসুলের আকারে পাওয়া যায়। এলএসডি'কে 'সাইকাডেলিক' মাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই ধরনের মাদকের প্রভাবে সাধারণত মানুষ নিজের আশেপাশের বাস্তবতাকে ভিন্নভাবে অনুভব করে এবং কখনো কখনো 'হ্যালুসিনেট' বা অলীক বস্তু প্রত্যক্ষও করে থাকে।

১৯৩৮ সালে প্রথমবার এলএসডি সংশ্লেষণ করা হয়। এরপর ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে নানা ধরনের মানসিক রোগের চিকিৎসায় এলএসডি ব্যবহারের জন্য প্রচারণা চালান গবেষকরা। সেসময় এই বিষয়ে বহু বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালিত হয়, আয়োজিত হয় একাধিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনও। ১৯৩৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এলএসডিসহ সব ধরনের সাইকাডেলিক ড্রাগ নিষিদ্ধ করে। এরপর ১৯৭১ সালে জাতিসংঘ চিকিৎসা কাজে এলএসডি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে এই বিষয়ে গবেষণায় ভাটা পড়ে।

তবে বিশ্বের নানা দেশে বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা, মানসিক অবসাদের মতো অসুস্থতার চিকিৎসায় এলএসডি'র কার্যকারিতা নিয়ে এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন মনোচিকিৎসক ও রসায়নবিদরা। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনে ২০১৭ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে আসে যে, চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে নির্দিষ্ট মাত্রায় এলএসডি গ্রহণের ফলে অসুস্থতার কারণে দুশ্চিন্তায় ভুগতে থাকা রোগীদের দুশ্চিন্তা কমে। লন্ডন, বাসেল এবং জুরিখ শহরের ৯৫ জন রোগীর ওপর গবেষণাটি পরিচালনা করেন সুইজারল্যান্ডের বাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিসিন বিভাগের গবেষক মাথিয়াস লিখাটি।

এলএসডি কেন ক্ষতির কারণ হতে পারে?


বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চিকিৎসার প্রয়োজনে বা গবেষণার কাজে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে নির্দিষ্ট মাত্রায় এলএসডি গ্রহণ করে থাকে মানুষ। তবে এটি মূলত ব্যবহার হয়ে থাকে মাদক হিসেবে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের ভাষ্য অনুযায়ী এটি মানুষের মস্তিষ্কের সেরোটোনিন নামক রাসায়নিকের কার্যক্রম প্রভাবিত করে ব্যবহার, অনুভূতি এবং পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তন করে। এলএসডি নেয়ার পর সাধারণত মানুষ 'হ্যালুসিনেট' করে বা এমন দৃশ্য দেখে যা বাস্তবে নেই। অনেক সময় অলীক দৃশ্য দেখার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকে মানুষ। এলএসডি গ্রহণ করে ভুল রাস্তা দেখে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া, বাড়ির জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়া বা অহেতুক আতঙ্কিত হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার বেশ কিছু ঘটনা নথিবদ্ধ রয়েছে।

ইউরোপের বিজ্ঞানী এবং গবেষকদের বাণিজ্যিক ওয়েবসাইট রিসার্চগেইট'এ ২০১৭ সালে প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী ১৯৫৩ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডায় মোট ৬৪ জনের মৃত্যু হয় এলএসডি গ্রহণের পরবর্তী জটিলতায়।বিষণ্ণতা বা দুশ্চিন্তায় ভোগা ব্যক্তিরা এলএসডি গ্রহণের পর আরো বেশি বিষণ্ণতা বা দুশ্চিন্তায় আক্রান্ত হতে পারেন বলেও উঠে এসেছে অনেক গবেষণায়। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন বলছে, এলএসডি গ্রহণের পর অনেকে মনে করেন যে তিনি সবকিছু পরিষ্কার দেখছেন এবং তার শরীরে অতিমানবিক শক্তি এসেছে।

এলএসডি সেবন

 

এরকম বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার ফলেও অনেকে নানা ধরণের দুর্ঘটনা শিকার হতে পারেন। অতিরিক্ত আতঙ্কের কারণে মানুষ অনেক সময় মনে করতে পারে যে সে শিগগিরই মারা যাবে বা মারা যাচ্ছে। এরকম পরিস্থিতিতেও মানুষ আতঙ্কের বশবর্তী হয়ে নানা ধরণের কাজ করে থাকে যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আতঙ্কিত হওয়ার পাশাপাশি অতি দ্রুত অনুভূতির পরিবর্তন হওয়ার কারণেও মানুষ মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করতে পারে বলে বলছে ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন।

সংস্থাটি বলছে, এলএসডি গ্রহণের আগে এটা বোঝা সম্ভব নয় যে আপনার অভিজ্ঞতা কেমন হতে যাচ্ছে। এছাড়া এলএসডি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রকম প্রভাব ফেলে থাকে। এলএসডি সেবনের ফলে মানুষের হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাত্রা এবং শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে অনিদ্রা, ক্ষুধামন্দা, অতিরিক্ত ঘাম সহ নানা ধরণের মানসিক সমস্যাও তৈরি হয় বলে জানাচ্ছে ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন। বাংলাদেশের চিকিৎসকরা এর ভয়াবহতা থেকে দুরে থাকতে তরুণ-তরুণীদের আহবান জানিয়েছেন। অভিবাবকদের সতর্ক থাকতেও তারা অনুরোধ করেছেন।


ঢাকা, ৩১ মে (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//বিএসসি

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।