সুবর্ণজয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তরুণ প্রজন্মের চিন্তাধারা


Published: 2021-03-26 18:35:14 BdST, Updated: 2021-04-23 12:08:39 BdST

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা। বাঙালির জাতীয় জীবনে বিশেষ মাস এই অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ সালের এ মাসেই বাঙালি তাদের অস্তিত্বের জন্য লড়াই শুরু করেছিল। লাখ লাখ মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছিল। কিন্তু সমগ্র জাতি স্বাধীনতার লক্ষ্যে ছিল অবিচল। এই ঐক্য সম্ভব হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব গুণে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বগুন বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। দীর্ঘ ৯ মাসের ত্যাগ তিতিক্ষার ফলে আজ আমরা স্বাধীনভাবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছি। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসজুড়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালিদের যে ঐক্য দেখা গিয়েছিল, তা ছিল নজিরবিহীন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মতো দুটি বিশেষ কারণে বাঙালির জনজীবনে এই বর্ষটি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে থাকবে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের আছে নানা অর্জন, আছে নানা চ্যালেঞ্জ। তারুণ্যের চাওয়া পাওয়ায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, এই সময়ের নানা অর্জন, কি ধরনের চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিতে হয়েছে ও বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর অবদান সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর জন্মভূমি গোপালগঞ্জে তারই নামে নামাঙ্কিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভাবনা, চিন্তাধারা তুলে ধরেছেন ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক 'আর এস মাহমুদ হাসান'


"সুবর্ণ জয়ন্তীর অঙ্গীকার"
মাহ্‌মুদুন-নবী-সবুজ, কৃষি বিভাগ
স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর! ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। একাত্তরের ধ্বংসলীলা থেকে দেশ এগিয়েছে অনেকটাই। যিনি এদেশের প্রতিষ্ঠাতা, যাঁর জন্ম না হলে হয়তো বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হতো না, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এই সুবর্ণজয়ন্তীতে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার পূর্ণতা দিয়েছে পঞ্চাশ বছরের কলঙ্কিত স্বাধীনতাকে। এ দেশের মানুষের কাছে অকল্পনীয় পদ্মা সেতুও আজ দৃশ্যমান। শিক্ষা-দীক্ষা ও প্রযুক্তি ছাড়াও এদেশ আর কিছুতে পিছিয়ে নেই। নেই খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বাসস্থানের অভাব। কৃষিতে আমরা এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমরা পেরিয়েছি বিডিআর বিদ্রোহ, রানাপ্লাজা ধ্বংস, ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো শত গ্লানি। আমাদের প্রাপ্তির সাথে অপ্রাপ্তির কোটাও কম নয়।

মাহ্‌মুদুন-নবী-সবুজ

 

আজও অসচেতনতা ও বিচারহীনতায় আমরা নিরাপদ বোধ করি না, প্রতিনিয়ত খবরের কাগজে দূর্নীতি, ধর্ষণ ও সড়ক দুর্ঘটনার খবর আসে। কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা ও দূর্নীতির ফলে বেকারত্বের ঘানি টানছে অনেকেই। আমি মনে করি স্বাধীনতার অঙ্গীকার হওয়া উচিত নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা এবং বেকারত্ব, দূর্নীতি ও ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ। তাহলেই পূর্ণতা পাবে আমাদের ত্যাগ, আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের সুবর্ণজয়ন্তী।

"বঙ্গবন্ধুই তরুণদের প্রেরনা"
ফারিয়া বিনতে রহমান সৌমি, ভেটেরিনারি মেডিসিন বিভাগ
স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অগ্রগতির অন্যতম শক্তি হল তরুণ সমাজ। আার তরুনদের উজ্জীবিত করার মাধ্যমে এই অগ্রগতির মূলমন্ত্র শিখিয়ে গেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি তরুণদের কাছে একাধারে জীবন সংগ্রামের, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ও আদর্শের প্রতীক, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কারিগর, উদার ব্যক্তিত্ব, সফল রাজনীতিবিদ। বাংলার মানুষের প্রতিটি দাবি পূরণের আন্দোলনে, প্রতিটি সংগ্রামের সম্মুখভাগের সৈনিক ছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আজও তরুণ সমাজকে নতুন করে ভাবতে শেখায়।

ফারিয়া বিনতে রহমান সৌমি

 

বাঙালি, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শব্দ তিনটি একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠেই মানুষের মনে স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামে শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ যেমন গুরুত্ব পেয়েছে, এই স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীতে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার গুরুত্ব পাক। বাংলাদেশ ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের ৫০ বছর পূর্ণ হল। তাই পেছনে ফিরে তাকালে আমাদের স্বস্তির অনেক কারণ পাওয়া যায়। অন্তত এ ৫০ বছরে আমাদের অর্জন খুব একটা কম নয়। হয়তো অর্জন আরও বেশি হতে পারত। তবে যা হয়েছে তা খুব সামান্যও নয়, এককথায় অসামান্য। এখন বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে সম্মানজনক দেশ ও রাষ্ট্র হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

"স্বাধীনতায়, আদর্শে ও চেতনায় বঙ্গবন্ধু"
তানভীর আহমেদ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
আমাদের জাতীয় জীবনে মহান মুক্তিযুদ্ধ এক অসীম তাৎপর্য বহন করে। এ বছর আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি। আমাদের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক দুরদর্শিতা, অন্যায়ের সাথে আপোষহীন মনোভাব, বৈষম্যমুক্ত একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্নের ফসল হচ্ছে আমাদের আজকের বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল একটি শোষণহীন, সাম্য, মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার, যে রাষ্ট্রের কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না, বেকারত্বের সমস্যা থাকবে না।

তানভীর আহমেদ

 

এজন্যই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমাদের সাধারণ মানুষ যদি আশ্রয় না পায়, যদি দেশবাসী খাবার না পায়, যুবকরা চাকরি বা কাজ না পায় তাহলে আমাদের এই স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যাবে, পূর্ণ হবে না। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে স্বাধীনতা পূর্ণতা পাক অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে, বেকারত্বের সমস্যা দূরীকরণের মাধ্যমে এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন দেশ গঠনের মাধ্যমে, তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীনতা সার্থক হবে।

"বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে গর্ববোধ হয়"
আখি দত্ত, মনোবিজ্ঞান বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যার আবির্ভাব বাংলাদেশের রাজনীতিকে করেছে অলংকৃত এবং সমৃদ্ধ। ১৯৭১ সালের বাঙালি জাতির অস্তিত্বের সংগ্রামে যার রাজনৈতিক জ্ঞান, প্রজ্ঞা আমাদের স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মত দুটি বিশেষ কারণে বাঙালি জনজীবনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ষ।

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর পশ্চাতে রয়েছে সুদীর্ঘ ইতিহাস। মূলত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়েছিল। যা পর্যায়ক্রমে '৫৪ নির্বাচন, '৬২ শিক্ষা আন্দোলন, '৬৬ ছয় দফা, '৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে, '৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে অবসান হয়।

আখি দত্ত

 

বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন থেকে তরুণ প্রজন্ম পাবে অসীম সাহসিকতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মনোভাব, আত্মবিশ্বাস এবং আত্মপ্রত্যয়ী হওয়ার দিক্ষা। আর তরুণ প্রজন্মই সৃষ্টিশীল মেধা ও প্রচেষ্টাকে কাজে লাগিয়ে হাজার বছর অম্লান রাখবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। তারই নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে গর্ববোধ হয়।চেষ্টা করি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সর্বদা হৃদয়ে ধারণ করতে।

"বাঙালীর চিন্তার জগতে সদা জাগ্রত বঙ্গবন্ধু"
মুহিব মাহমুদ, রসায়ন বিভাগ
বঙ্গবন্ধু প্রজ্বলিত এক নক্ষত্র। যে নক্ষত্রের আলো কখনো নিভে যায় না। তরুণ প্রজন্মের কাছে নিঃসন্দেহে তিনি একজন সেরা দেশ প্রেমিক ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী। দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানি শোষণ, বৈষম্য ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে বাঙালিরা যার ডাকে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তুলেছিলেন তিনি আমাদের অহংকার ও আত্ম মর্যাদার প্রতীক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে স্পষ্ট মুজিব জনগনের, আর জনগণ মুজিবের। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতেও তারুণ্যের কাছে বঙ্গবন্ধু শ্রদ্ধা ও ভালবাসার এক প্রস্ফুটিত গোলাপ।বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া বাংলাদেশ আজ উন্নয়নে বিশ্বের কাছে রোল মডেল।

এখন আর দেশে কেউ দরিদ্রতার কশাঘাতে না খেয়ে থাকে না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও আর্থ সামাজিক সূচকে বাংলাদেশ অন্যদের নিকট অনুকরণীয়। বাংলাদেশকে কেউ এখন তলা বিহীন ঝুড়ির দেশ বলতে পারে না। আজ আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দারপ্রান্তে রয়েছি। তবে বাংলাদেশের এই পথ পাড়ি দেওয়াটা খুব সুখকর ছিল না, বহু চ্যালেঞ্জ আর অগণিত অনিশ্চিয়তা ছিল প্রতিটি ধাপে। এতো ছোট্ট একটি দেশ তার তুলনায় বহুগুন বেশি মানুষ, তবে আমরা কিছুটা হলেও পেরেছি জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তিত করতে।

মুহিব মাহমুদ

 

তাই সকল বাধা বিপত্তি দূর করেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বকে উন্নয়নের গল্প শুনাতে পারে। আর সব কিছুই সম্ভব হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য তিনি তার জীবন বাজি রেখে আমাদের একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ উপহার দিয়ে গিয়েছিলেন বলে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবর্ষে এসে দেশের এই অর্জনগুলো আমাদের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেণিত করে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মহানায়ক এবং তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন আমাদের অন্তরে।

"মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করতে হবে"
মোঃ আলমগীর হোসেন, ইতিহাস বিভাগ
স্বাধীনতা কথাটা কার না ভালো লাগে! যেকোন স্বাধীনতা আনন্দের হয়। আমরা স্বাধীন দেশ হিসেবে এবার আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎযাপন করবো। তবে এ স্বাধীনতা এমনি আসেনি যার সূচনা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু আর পূর্ণতা পায় মহান স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে। রাতের অন্ধকারে পাক বাহিনীদের নিরীহ মানুষের ওপর চালানো নির্যাতন, চারপাশে ভয় আর আর্তনাদ, নিরীহ শিশু আর মা বোনের উপর অত্যাচার। সেই অত্যাচার থেকে সবাইকে মুক্তি দিতেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব দেশের আপামর জনতা ঝাপিয়ে পড়ে যুদ্ধে, তাদের সাথে যোগ দেন নির্যাতিত নারীরাও, সকলের ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেলাম স্বাধীন এ দেশ।

মোঃ আলমগীর হোসেন

 

স্বাধীনতার ৫০ বছরের প্রান্তে দাঁড়িয়েও এখনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। দুর্নীতি মুক্ত হয়নি দেশ, প্রতিনিয়ত ঘটছে ধর্ষনের মতো জঘন্য ঘটনা, সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা, সুন্দর পরিবেশ, জননিরাপত্তা আজও সম্পূর্ন নিশ্চিত হয়নি। প্রতিষ্ঠিত হয়নি মানুষের মৌলিক অধিকার। ব্যক্তি স্বার্থ ও দলীয় মতের উর্ধে উঠে দেশের জন্য নিবেদিত প্রান হয়ে কাজ করা নেতার শাসন এখন ও অধরাই রয়ে গেল। দেশ জুড়ে মাদকের ছড়াছড়ি তরুণ সমাজকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। সর্বোপরি আমরা তরুন প্রজন্ম মনে করি স্বাধীনতার সম্পূর্ন সুফল পেতে মুক্তিযুদ্ধের আসল চেতনা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করতে হবে। এবং আমাদের একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে, সেই সাথে নিজেদের অধিকার নিয়ে সচেতন হতে হবে।

ঢাকা, ২৬ মার্চ (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।