Azhar Mahmud Azhar Mahmud
teletalk.com.bd
thecitybank.com
livecampus24@gmail.com ঢাকা | সোমবার, ৪ঠা মার্চ ২০২৪, ২০শে ফাল্গুন ১৪৩০
teletalk.com.bd
thecitybank.com

পরিবারের সান্নিধ্যে শিক্ষার্থীদের ঈদ আনন্দ

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৩, ২০:০৩

শিক্ষার্থীদের ঈদ আনন্দ

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে মুসলিমরা উদ্‌যাপন করেছেন তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। দীর্ঘ সিয়াম সাধনার পর স্বাভাবিকভাবেই এই উৎসবে সবার আগ্রহ বেশি। আর যেহেতু এই ঈদুল ফিতর আমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব, ঈদ নিয়ে তাই তারুণ্যের উৎসাহ-উদ্দীপনাও বেশি। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের আনন্দেও। নানা আয়োজন, কার্যক্রম ও ঘোরাঘুরির মধ্য দিয়ে কাটে দিনটি।

মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র উৎসব হচ্ছে ঈদুল ফিতর। সারা বছরের কর্মব্যস্ততার মাঝে একটু আনন্দের আমেজ সৃষ্টি করে এই পবিত্র ঈদ। সবাই তাদের পরিবারের সঙ্গে তৃপ্তির সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পায়। ঈদের এই ছুটিতে পরিবারের সাথে কেমন সময় কাটছে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থীদের? রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা ঈদের আমেজ কেমন উপভোগ করছেন তা তুলে ধরেছেন ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এর রাজশাহী কলেজ প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল হাকিম।

বাচ্চাদের সাথে খুনসুটি ঈদের আমেজ আরেকগুন বাড়িয়ে দেয়

এবারের ঈদ প্রতিবারের মতো হলেও আমার কাছে একটু বেশিই আনন্দের। এর কারণ অনেক দিন পরে বাড়িতে আসা সেটাও আবার ২৮ রমজানে। পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে। বাড়িতে পৌঁছানোর পর রীতিমতো ভালোবাসার অত্যাচারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, পরিবারের সকলেই আমার মতোই খুশি হয়েছেন তাদের সাথে আগে আগে যোগ দিতে পারায়।

রমজানে বাড়িতে এসে আমার বন্ধুদের নিয়ে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছি। তাছাড়াও এলাকার সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন ইফতার মাহফিলেও যোগ দিয়েছি। তবে বাড়িতে এসেও সবার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ঈদ স্মৃতিকে করেছে আরও আনন্দঘন।

সত্যি বলতে বাড়িতে সবকিছুই যেনো চলে গল্পের মত। সারাদিন ছোট্ট ভাতিজা-ভাতিজিরা দুষ্টুমিতে মাতিয়ে রাখে পুরো বাড়ি। তাদের সাথে খুনসুটি ঈদের আমেজ আরেকগুন বাড়িয়ে দেয় ঈদের ছুটিতে সব ভাইয়ারা, সাথে ভাতিজা-ভাতিজিরা চলে আসায় এই হইহট্টগোল পরিবেশেটাও এক ধরনের আনন্দের। এই যেনো আমাকে সাময়িকের জন্য সেই স্বর্গীয় সুখ পাইয়ে দেয়। সকল ব্যস্ততা উপেক্ষা করে চলে আসি পরিবারের কাছে। বাবা মায়ের ভালোবাসা, ভাইদের শাসন ভালোবাসা সব যেন স্বপ্নের মতোই সুন্দর।

মোঃ হজরত আলী, শিক্ষার্থী
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
সম্মান ৪র্থ বর্ষ, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী।

ঈদ হোক গরীব দুঃখীদের স্বপ্ন পূরণের

মুসলিম সম্প্রদায়ের বৃহত্তম উৎসব হলো ঈদুল ফিতর। সবাই ভাগাভাগি করে নিতে চায় উৎসবের আনন্দকে। চারদিকে আনন্দে জোয়ার তুলে এমন শতরঙা ঈদ বাংলাদেশের মতো পৃথিবীর আর অন্য কোথাও আসে কিনা জানা নেই। বাড়ি ফেরার এমন তোলপাড় করা আবেগ নিয়ে ঈদ উৎসবের আনন্দ, উন্মদনা বোধহয় বাঙালি ছাড়া আর কাউকে ছুয়ে যায় না।

সকল শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে ঈদের আনন্দ উৎসবের ঢেউ, অগাধ খুশির জোয়ারে কিছু সময়ের জন্য গোটা দেশই হয়ে ওঠে আনন্দ ময়দান। ঈদকে ঘিরে প্রত্যাশা থাকুক কোথাও যেন দূঘটনা না ঘটে, অপরাধ না ঘটে, জানমালের যেন কোনো খতি না হয়। বৈশাখের এই পোড়া দুপুরে সড়কের আশেপাশের যে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সবজি ওয়ালা, ভিক্ষুক তাদেরও স্বপ্ন পূরণ হোক। স্বপ্ন পূরন হোক বঞ্চিত মানুষের।

ইভা ইয়াসমিন, শিক্ষার্থী
মনোবিজ্ঞান বিভাগ
সম্মান প্রথম বর্ষ, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী।

ঈদের আমেজ

মার্চের ২৩ এসেছিল রমজান যে শেষ হয়ে যাবে আজ। দীর্ঘ ২৯ দিন রোজা রাখার পর সবার মাঝে আসলো ফিরে ঈদের আমেজ খন। ঈদের চেয়ে খুশি বেশি তার আগের সময়। এই অনুভূতি অন্য রকম তা প্রকাশ করার নয়। রমজান মাসের শেষ ইফতার তাই একটু দুঃখী মন। আকাশে যখনি দেখবে ঈদের চাঁদ হাতে পড়বে সবাই মেহেদির নানান রকম সাজ।

মসজিদ থেকে গজলের সুর কানে আসবে ভেসে। আতসবাজি আর পটকাতে আলোকিত হবে সেই অন্ধকার পথ-ঘাট। নতুন জামা আতোর খানি আছে রাখা যত্ন করে। ঈদের দিনে সাজবো সবাই মন-প্রাণ ভরে।

মোসা: চাঁদনী ইসলাম, শিক্ষার্থী
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
সম্মান প্রথম বর্ষ, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী।

ঈদ আমাদের মাঝে নতুন মাত্রা যোগ করে

বছর ঘুরে আবারও চলে এসেছে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের একটি ইদ-উল-ফিতর। রমযানের দীর্ঘ এক মাস সাওম পালনের শেষে ইদ-উল-ফিতর এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।ইদ কে কেন্দ্র করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নাড়ির টানে ঘরমুখী হয় মানুষ। দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্য়ালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। রমযান মাস, ঈদ ও গ্রীষ্মের ছুটি মিলিয়ে বেশ কিছুদিনের ছুটি রয়েছে এবার। আসন্ন ইদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে শিক্ষার্থীরা। নানা রকম সুস্বাদু খাবার, ঈদের নামাজ , মোনাজাত ও সকলের সাথে কুশলাদি বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।

বিগত কয়েক বছরের অতিমারি করোনা ভাইরাস জনমনে যে ভীতি ও দূরত্ব তৈরি করেছিল তা অনেকটাই কেটে গেছে। এবার তাই থাকছে না সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোন বালাই। তবুও এবারের রমজানে তীব্র তাপদাহের ফলে জন জীবন বিপর্যস্ত। তারপরও বিগত দিনের দুঃখ কষ্ট ও অপূর্ণতা সবকিছু ভূলে নতুন দিনের আশায় সকলে একত্রিত হয়ে আনন্দঘন পরিবেশে শান্তিপূর্নভাবে ঈদ উদযাপনের প্রত্যাশা করি।

আমি খুবই আনন্দিত! এতদিন দিন গুনেছি কবে ঈদ আসবে? নতুন পোশাক পরা, সকলের সাথে প্রিয় খাবারগুলো খাওয়া বা পরিবারের সাথে আনন্দ করা হয়নি অনেকদিন। রমজান মাসে রোজা রাখার পর একটি আনন্দময় দিন। এই ঈদের আমাদের আমাদের মাঝে আনন্দের নতুন মাত্রা যোগ করে। যে দিনটিতেই আমরা সব দুশ্চিন্তা ও কষ্ট ভূলে সুন্দর সময় কাটাতে পারি।

মোসা: সুমাইয়া খাতুন, শিক্ষার্থী
মনোবিজ্ঞান বিভাগ
সম্মান দ্বিতীয় বর্ষ, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী।

ঢাকা, ২৩ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


আজকের সর্বশেষ