নানান প্রতিকুলতা পেরিয়ে প্রত্যাশার নতুন বছরে ঢাবি


Published: 2020-12-31 15:38:15 BdST, Updated: 2021-01-25 19:09:03 BdST

অপ্রাপ্তি, অপূর্ণতা আর সংকটের মধ‌্যদি‌য়ে শেষ হয়ে এলো দুই হাজার বিশ যা অ‌নেকের কা‌ছে 'বিষ' সাল হি‌সে‌বে প‌রি‌চিত। মা‌র্চের শুরুতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সা‌থে থম‌কে যায় হাজা‌রো উদ‌্যমী তরু‌ণের ঘড়ির কাটা। তবু, অ‌নেক সম্ভাবনাময়ী তরুণ ঝু‌কিপূর্ণ সময়েও ম‌নো‌নি‌বেশ ক‌রে‌ছে মানব সেবায়, মগ্ন থে‌কে‌ছে সা‌হিত‌্য পাঠ, চল‌চ্চিত্র জগ‌ত ও লিখা‌লি‌খি‌তে।

এই দুঃসময়ের কুয়াশা ঘেরা পৃথিবী পা রাখছে আরেকটা নতুন বছরে। এই বছ‌রের প্রা‌প্তি ও নতুন বছ‌রের প্রত‌্যাশা সম্প‌র্কে জান‌তে ঢাকা বিশ্ব‌বিদ‌্যালয়ের একদল আ‌লোক প্রত‌্যাশী তরুণদের সা‌থে কথা ব‌লে‌ছেন ক‌্যাম্পাসলাইভ২৪ এর ঢা‌বি প্রতিনি‌ধি মিজানুর রহমান

মোস্তাফা আল হোসাইন আ‌কিল, আর্ন্তজা‌তিক সম্পর্ক: ২০২০ ইংরেজি সনের ক্যালেন্ডারে মাস দুয়েক যেতে না যেতে কোভিড-১৯ নামক ভয়াবহ মহামারী বিশ্বব্যাপী মরণঘাতী আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করে। ফলস্বরূপ সবকিছুর সাথে লকডাউন করা হয় দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও। মার্চের ১৭ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন বছরের নব উদ্দীপনা সমেত যাত্রায় যে ভঙ্গ দিলো, পুরো বছর শেষেও আর ফেরা হলো না প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। আর আমাদেরও অপ্রাপ্তি,অপূর্ণঙ্গতার অনেক গল্প লেখা হয়ে যায় ইতোমধ্যে বছরের বাকি সময়জুড়ে।

সেশনজটের আশঙ্কা এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্থবিরতা হ্রাসকল্পে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনলাইন ক্লাসের উদ্যোগ নেয়। ডিজিটাল ডিভাইস না থাকা, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেটওয়ার্ক সমস্যা,উচ্চমূল্যে মেগাবাইট কেনার অসামার্থ্য সহ নানাবিধ সমস্যা অসংখ্য ছাত্রছাত্রীকে অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ থেকে দূরে রাখে। অথচ শেষ হতে থাকে একের পর এক ক্লাস, শেষ হয় সেমিস্টার, অনেক কোর্সে নেয়া হয় মিড, টার্মপেপার, এসাইনমেন্ট।

মোস্তাফা আল হোসাইন আ‌কিল

 

ইউজিসি ছাত্রছাত্রীদের ডিভাইস কিনতে লোন সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েও কথা রাখে নি। মোবাইল সিম অপারেটরগুলোও শিক্ষার্থীদের মেগাবাইট সুবিধা দিতে তেমন এগিয়ে আসে নি৷ সবকিছু মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে এই সংকটপূর্ণ দিনগুলোতে আরো হতাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়। হল খুলে দেয়া, সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া সহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিব্রতাবস্থা শিক্ষার্থীদেরও অস্বস্তিতে রাখে,বাড়িয়ে দেয় ক্ষোভ।

অপ্রাপ্তি, অপূর্ণতা আর সংকটের বছরটা শেষ হয়ে এলো। এই দুঃসময়ের কুয়াশা ঘেরা পৃথিবী পা রাখছে আরেকটা নতুন বছরে। নতুন বছরে, নতুন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী বান্ধব হোক। শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্খা, চাওয়া-পাওয়ার সারথী হয়ে উচ্চশিক্ষার পথকে আরো মখমল করবে,যুগোপযোগী করবে, বিশ্বমানের হবে এই প্রত্যাশা আমরা সবসময়ই রাখি। সংকট কেটে গিয়ে সুস্থ, সুন্দর দিনে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সত্যিকার অর্থে আমাদের হয়ে উঠুক। অচলায়তন শেষে সুষ্ঠুভাবে, সুপদ্ধতিতে একাডেমিক গ্যাপগুলো যথাযথভাবে কাটিয়ে উঠবে এই প্রত্যাশা সকলের।

ফারাহ জাহান শু‌চি, গণ যোগা‌যোগ ও সাংবা‌দিকতা বিভাগ: অন্য বছরের তুলনায় এবছরের প্রাপ্তির তালিকা করলে তাতে বরং হতাশই হতে হয়। বছরটাই যে এমন ছিল! হারিয়েছি অনেককে। তবু ২০২০ এ প্রাপ্তি যে একেবারে ছিল না তা-ও বলা যায় না। পরিবারের সাথে একান্ত সময় কাটাতে পেরেছি। নতুন কিছু কাজ শিখতে পেরেছি। নিজের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুত্ব দিচ্ছি। চারপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করেছি। নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছি বই-পত্র-চলচ্চিত্রে। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু জানছি আর শিখছি। পরিবার-প্রতিবেশীর উপকারে আসার চেষ্টা করছি। সত্যি বলতে, ২০২০ এ বেঁচে থাকাটাই আমাদের সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি।

ফারাহ জাহান শু‌চি

 

এবছরে বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পার করে আগামী বছরেই যে সব সমস্যা রাতারাতি উবে যাবে তা আশা করা যায় না। তা-ই প্রত্যাশার পারদ খুব উঁচু করতে চাই না। কারণ তাতে একরাশ নৈরাশ্য জুটে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবু আশাবাদী হতে তো আর দোষ নেই। তা-ই চাই আগামী বছর যেন এবছরের গ্লানি-ক্লেদ-জরা ধুয়ে দিতে পারে। কোভিড-১৯ এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আগের চেয়ে কমবে এ আশাই রাখছি। ভ্যাক্সিনের সুষম বণ্টন হোক তা-ও চাচ্ছি। ২০২০ এর দেওয়া ঘায়ে ২০২১ যেন কিছুটা হলেও মলম লাগাতে পারে - নতুন বছরে এ-ই আমাদের প্রত্যাশা।

মো. মাহবুবুর রহমান সাজিদ, আর‌বি ভাষা সাহ‌ত্যি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২০ সালে প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখযোগ্য আমার কিছু নেই। কেননা, বছরের প্রথমদিকেই করোনার কারণে বন্ধ হয়ে যায় এবং পুরো বছরই বন্ধ থাকে। জুলাই মাস থেকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হলেও আজ পর্যন্ত একটিও ক্লাস করিনি। সেটির দুটি কারণ। ১. সাধারণত ক্লাসগুলো আমাকে আকর্ষণ করেনা। তাই অফলাইনে ক্লাস যখন হত আমি পেছনের বেঞ্চে বই পড়তাম। আর এটা তো অনলাইন।

২. গ্রামে অবস্থান করার ফলে নেটওয়ার্ক সমস্যা ও অর্থনৈতিক সমস্যা। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্তি বলতে আমি আমার পুরো ক্যাম্পাসজীবনের প্রাপ্তির দিকে দৃষ্টিপাত করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভর্তি হয়েছি সেই প্রত্যাশার শূন্যভাগ পূরণ করতে পারেনি। কেননা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাপদ্ধতি জ্ঞানসৃষ্টিকেন্দ্রিক নয়। এখানে জ্ঞানচর্চার পরিবেশ নেই। তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি। সবাই চাকুরীর জন্যে হন্যে হয়ে মুখ গুজে আছে। কেননা, বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা তৈরী করতে ব্যর্থ।

মো. মাহবুবুর রহমান সাজিদ

 

তাই নতুন বছরের প্রথম প্রত্যাশা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো। বিশ্বের শ্রেষ্ট বিশ্ববিদ্যলয়ের অনুকরণে আপডেট করা। বিশ্ববিদ্যলয়ে পড়ার লক্ষ্য উদ্দেশ্যে নির্ণয় করা।

দ্বিতীয় প্রত্যাশা হলো। এটি একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে আবাসনের কোন উপকারীতা শিক্ষার্থীরা কাজে লাগাতে পারছেনা। সিট পলিটিক্স, গেস্টরুমপ্রথা ইত্যাদি মধ্যযুগীয় প্রথা এখনো বিদ্যমান। হলগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে হল প্রশাসনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করা।

কাজী রাকিব হোসাইন, আইন বিভাগ: ২০২০ প্রায় ফুরালো, ২১ আসতে চলেছে। এই বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের প্রাপ্তির খাতায় যুক্ত হয়েছে কিছু, বরাবরের মতোই অপ্রাপ্তির পাতায়ও রয়ে গেছে অনেককিছু। করোনা মহামারীর কারণে প্রাণচঞ্চল ক্যাম্পাস স্থবির হয়ে আছে। শিক্ষা কার্যক্রম চলছে অনলাইনে। অনলাইন কার্যক্রম নিয়ে বৈষম্য তৈরি হওয়ার আশংকা ছিলো, অনেকগুলো ডিপার্টমেন্ট শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে বৈষম্য নিরসনে আন্তরিক ছিলেন। তবে সবাই ছিলেন না, এটি দুঃখজনক। এই বছরেই আমরা আমাদের দীর্ঘদিনের চাওয়া একাডেমিক ইমেইল পেয়েছি, যা আধুনিক অনেক সুযোগ ঢাবিয়ানদের জন্য উন্মুক্ত করেছে। একইভাবে লাইব্রেরি রেজিস্ট্রার ভবন থেকে শুরু করে সব কার্যক্রমই আধুনিক ও ডিজিটালাইজড হয়ে আরো বেশি শিক্ষার্থীবান্ধব হয়ে উঠুক, নতুন বছরে আমাদের চাওয়া থাকবে।

কাজী রাকিব হোসাইন

 

আসছে বছরেই শতবর্ষে বর্ষীয়ান হতে যাচ্ছে আমাদের প্রাণের বিদ্যাপীঠ। এ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে, আশা রাখবো পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে ঐতিহ্য বজায় রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি অংশগ্রহণমূলক, গণতান্ত্রিক ও সর্বাধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হবে; যেখানে থাকবে না কোনো আবাসন বা শিক্ষা সংকট, রাজনীতির নামে চলবে না সন্ত্রাস-হানাহানি। সবচেয়ে বড় যে গুণ বিশ্ববিদ্যালয়ের, সেই নিত্যনতুন জ্ঞান উৎপাদনে যে বিশ্ববিদ্যালয় হবে জনমানসের সাথে অনেকবেশি সংযুক্ত। দ্রুত কেটে যাক এই বিচ্ছিন্ন দুরূহ সময়। নতুন বছরে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য নিয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার অপেক্ষায় আছি আমরা সবাই। নতুন বছরে সবাইকে আগাম শুভেচ্ছা।

তানিয়া আক্তার (তাপসী), বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি: যখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সম্প‌র্কে জেনেছি ততবারই আবেগাপ্লুত হয়েছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্দাপন ছিলো আমার কাছে স্বপ্নের মতো, জীবনের শেষ ক্ষণে দাঁড়িয়ে বলতে হবে এখানেই আমার শ্রেষ্ঠ সময় কেটেছে। একজন মেয়ে হিসেবে সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা পেয়েছি এই ক্যাম্পাসে। নিজের ইচ্ছেমতো ছুটে বেড়িয়েছি, সেন্ট্রাল ফিল্ড, মধুর ক্যান্টিন, টিএসসির কখনো বা কার্জন কিংবা তীব্র সংকটে ব্যানার হাতে রাজু ভাস্কর্যে।

তানিয়া আক্তার (তাপসী)

 

মুজিববর্ষ উপল‌ক্ষে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন হওয়ার কথা থাকলেও মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে পুরোপুরি সম্ভব হয় নি। তবে নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ বহুমুখী শিক্ষার্থীবান্ধব উন্নয়নের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে কর্মমুখী ও গবেষণামূলক শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া অঙ্গনে অগ্রসর করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধুমাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয়ই নয় এই বিশ্ব‌বিদ‌্যালয় জা‌তির জন‌কের প্রতিষ্ঠান। এ‌টি ভাষা সৈ‌নিক, মু‌ক্তিযুদ্ধা ও দে‌শ প্রতিষ্ঠার অগ্রনায়ক‌দের প্রতিষ্ঠান।

যা আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীদের দেশের যেকোনো পরিস্থিতি সাহ‌সিকতার সা‌থে মোকা‌বিলার সাহস যোগায়। নতুন বছরে স্বপ্নের বিবর্তনে গুণে-মানে এগিয়ে যাক প্রাণের ক্যাম্পাস আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আসমা সুলতানা প্রভা, গণ‌ যোগা‌যোগ ও সাংবা‌দিকতা বিভাগ: সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে অপ্রাপ্তির চেয়ে প্রাপ্তির জায়গা বেশি থাকে। সেটা যেকোনো দিক থেকেই হোক না কেন। তবে ২০২০ সালে প্রাপ্তি বলতে গেলে মুখে মলিন হাসি রেখে একটা কথাই বলতে হয়, প্রাপ্তি বলতে ২০২০ সালে কিছুই ছিলো না।

আসমা সুলতানা প্রভা

 

তবে ২০২১ সালকে নিয়ে প্রত্যাশার মাত্রা চরম। আশা কর‌ছি, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর সঠিক সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থীর প্রশান্তির জায়গায় প‌রিণত হ‌বে। শিক্ষার্থী‌দের প্রয়োজনীয়তার কথা চিন্তা ক‌রে অগ্রা‌ধিকার ভি‌ত্তি‌তে আবাসন সমস‌্যার সমাধান ও সেন্ট্রাল লাইব্রে‌রিকে যু‌গোপ‌যোগী ক‌রে গ‌ড়ে তোল‌বে। সব‌চে‌য়ে গুরুত্বপূর্ণ হ‌লো, টিএ‌সির ম‌তো নান্দ‌নিক ও স্মৃ‌তিবহুল স্থান ভাঙার প‌রিব‌র্তে সংস্কার বা যু‌গোপ‌যোগী করার চেষ্টা কর‌বে।

নানান প্রতিকুলতা পেরিয়ে প্রত্যাশার নতুন বছরে ঢাবি

 

ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।