এবার হেফাজত নেতা খুরশিদ কাসেমী ও শরাফত গ্রেপ্তার


Published: 2021-04-21 20:29:58 BdST, Updated: 2021-05-16 14:51:59 BdST

লাইভ প্রতিবেদক: এবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব, ঢাকা মহানগরের সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আল্লামা খুরশিদ আলম কাসেমীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার বিকেলে তাকে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে ডিবির একটি টিম গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি শরাফত হোসাইনকে বিকাল ৫টার দিকে মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির অন্য একটি টিম। শরাফত হোসেন মামুনুল হকের ঘনিষ্ট ছিলেন বলে দাবি করছে ডিবি।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার বিকালে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আপাতত তাদেরকে ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। আগামীকাল ২০১৩ সালের ৫ই মে মতিঝিলের শাপলাচত্বরের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদেরকে আদালতে হাজির করা হবে।

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে যোগ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু মোদির সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলামসহ বেশকিছু রাজনৈতিক দল ও সংগঠন।

এই প্রতিবাদের জের ধরে ঢাকায় ব্যাপকভাবে সহিংস ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিক্ষোভের সময় চারজন নিহতের ঘটনাও ঘটে। এরপর দুদিন ধরে সহিংসতা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও একাধিক প্রাণহানীর ঘটনাও ঘটে। হামলা ও ভাঙচুর করা হয় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে।

এসব ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে মামলা হয়েছে; যাতে হেফাজতে ইসলামের নেতাদের নামও রয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত হাজার হাজার মানুষকে এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন হেফাজতে ইসলামের নেতাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলে তাণ্ডবের ঘটনায়ও অনেক হেফাজতে ইসলামের নেতার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। সেসব মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে নেতাদের।

ঢাকা, ২১ এপ্রিল (ক্যাম্পাসলাইভ২৪.কম)//এমজেড

ক্যাম্পাসলাইভ২৪ডটকম-এ (campuslive24.com) প্রচারিত/প্রকাশিত যে কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত অপরাধ।